সিলেটের হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের ৭০০ বছরের প্রচলিত রীতি ভেঙে প্রকাশ্যে দানের টাকা গণনার নির্দেশ দিয়েছেন বিদায়ী জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. সারওয়ার আলম। তার নির্দেশে প্রশাসনের উপস্থিতিতে মাজার প্রাঙ্গণে টাকা গণনা শুরু হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) বিকেলে মাজার প্রাঙ্গণে উপস্থিত হয়ে তিনি মাজারের দুটি দান ডেক এবং জেলা প্রশাসনের স্থাপন করা নতুন দানবাক্স থেকে টাকা বের করে প্রকাশ্যে গণনার কার্যক্রম শুরু করান। দুপুর আড়াইটা থেকে প্রশাসনের উপস্থিতিতে এই টাকা গণনা শুরু হয়।
এ সময় উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে তাৎক্ষণিক কোনো কথা বলেননি বিদায়ি এই জেলা প্রশাসক। তবে এ বিষয়ে পরে একটি ভিডিও বার্তা দেয়ার কথা জানান তিনি।
এর আগে রোববার (২১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করে মন্ত্রণালয়ের উপসচিব হিসেবে ন্যস্ত করা হয়। তবে ওই প্রজ্ঞাপনে প্রত্যাহারের নির্দিষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি।
এদিকে তার প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে সোমবার (২২ জুন) সকাল থেকে সিলেটে বিভিন্ন ব্যানারে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়। ডিসি কার্যালয় ও আশপাশ এলাকায় অবস্থান নেন বিক্ষোভকারীরা।
তাদের দাবি, সারওয়ার আলম সিলেটে দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। অনিয়মের বিরুদ্ধে অবস্থানের কারণেই তাকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে এবং একটি দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেট আড়াল থেকে এ প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রেখেছে বলে অভিযোগ তাদের।
সকালে কার্যালয়ে প্রবেশের সময় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে করমর্দন করেন বিদায়ি জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম। পরে তাদের স্লোগানের মধ্যেই তিনি কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। দুপুরে নিজ কার্যালয় থেকে বের হয়ে হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজার মসজিদে জোহরের নামাজ আদায় করেন তিনি।
দীর্ঘদিন ধরেই শাহজালাল (রহ.) মাজার জিয়ারত করতে আসা ভক্ত ও দর্শনার্থীরা দান করে আসছেন। তবে এসব দানের অর্থ প্রকাশ্যে গণনার এমন নজির এটাই প্রথম। প্রশাসনের উপস্থিতিতে প্রকাশ্য গণনার এই উদ্যোগ নেয়ায় বিষয়টি ব্যাপক গুরুত্ব পেয়েছে বলে মনে করছেন আগত ভক্ত ও অনুরাগীরা।
প্রসঙ্গত, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গত বৃহস্পতিবার মাজার প্রাঙ্গণে নতুন দানবাক্স স্থাপন করা হয়। একইসঙ্গে মাজারে থাকা পুরানো তিনটি দানের ডেকও সিলগালা করা হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
সিলেটের হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের ৭০০ বছরের প্রচলিত রীতি ভেঙে প্রকাশ্যে দানের টাকা গণনার নির্দেশ দিয়েছেন বিদায়ী জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. সারওয়ার আলম। তার নির্দেশে প্রশাসনের উপস্থিতিতে মাজার প্রাঙ্গণে টাকা গণনা শুরু হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) বিকেলে মাজার প্রাঙ্গণে উপস্থিত হয়ে তিনি মাজারের দুটি দান ডেক এবং জেলা প্রশাসনের স্থাপন করা নতুন দানবাক্স থেকে টাকা বের করে প্রকাশ্যে গণনার কার্যক্রম শুরু করান। দুপুর আড়াইটা থেকে প্রশাসনের উপস্থিতিতে এই টাকা গণনা শুরু হয়।
এ সময় উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে তাৎক্ষণিক কোনো কথা বলেননি বিদায়ি এই জেলা প্রশাসক। তবে এ বিষয়ে পরে একটি ভিডিও বার্তা দেয়ার কথা জানান তিনি।
এর আগে রোববার (২১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করে মন্ত্রণালয়ের উপসচিব হিসেবে ন্যস্ত করা হয়। তবে ওই প্রজ্ঞাপনে প্রত্যাহারের নির্দিষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি।
এদিকে তার প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে সোমবার (২২ জুন) সকাল থেকে সিলেটে বিভিন্ন ব্যানারে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়। ডিসি কার্যালয় ও আশপাশ এলাকায় অবস্থান নেন বিক্ষোভকারীরা।
তাদের দাবি, সারওয়ার আলম সিলেটে দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। অনিয়মের বিরুদ্ধে অবস্থানের কারণেই তাকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে এবং একটি দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেট আড়াল থেকে এ প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রেখেছে বলে অভিযোগ তাদের।
সকালে কার্যালয়ে প্রবেশের সময় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে করমর্দন করেন বিদায়ি জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম। পরে তাদের স্লোগানের মধ্যেই তিনি কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। দুপুরে নিজ কার্যালয় থেকে বের হয়ে হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজার মসজিদে জোহরের নামাজ আদায় করেন তিনি।
দীর্ঘদিন ধরেই শাহজালাল (রহ.) মাজার জিয়ারত করতে আসা ভক্ত ও দর্শনার্থীরা দান করে আসছেন। তবে এসব দানের অর্থ প্রকাশ্যে গণনার এমন নজির এটাই প্রথম। প্রশাসনের উপস্থিতিতে প্রকাশ্য গণনার এই উদ্যোগ নেয়ায় বিষয়টি ব্যাপক গুরুত্ব পেয়েছে বলে মনে করছেন আগত ভক্ত ও অনুরাগীরা।
প্রসঙ্গত, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গত বৃহস্পতিবার মাজার প্রাঙ্গণে নতুন দানবাক্স স্থাপন করা হয়। একইসঙ্গে মাজারে থাকা পুরানো তিনটি দানের ডেকও সিলগালা করা হয়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন