শেরপুর গারো পাহাড় এলাকার ঝিনাইগাতী উপজেলার গজনীতে অবৈধ বালু উত্তোলন করে পরিবহন কালে ৬টি মহেন্দ্র ট্রাক আটক করেছে বন বিভাগ।
বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২২ জুন) ভোর রাত ৪ টায় ঝিনাইগাতী উপজেলা রাংটিয়া রেঞ্জ ও গজনী বিটের কর্মকর্তারা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গজনী বিট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় তারা দেখতে পায় বাঁকাকুরা গ্রামের মালিটোলা নামক স্থানে বালু দস্যুরা রাতের আঁধারে পাহাড়ের ঝোড়া থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে ছয়টি মহেন্দ্র ট্রাকে লোড করছিলেন। পরে বালু দস্যুরা বন বিভাগের কর্মকর্তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। পরে বালু ভর্তি ছয়টি মহেন্দ্র ট্রাক জব্দ করে গজনী বিট অফিসে নিয়ে আসা হয়।
এই অভিযানে রাংটিয়া রেঞ্জ এর সহকারি বন সংরক্ষক তানভীর আহমেদ ইমন, ডেপুটি রেঞ্জার মোঃ করিম মিয়া, গজনী বিট কর্মকর্তা সালেহীন নেওয়াজ খান, বন রক্ষী জিয়াউল ইসলাম সহ বন বিভাগের অন্যান্য কর্মচারীবৃন্দ অংশ নেয়।
এ বিষয়ে রাংটিয়া রেঞ্জের সহকারি বন সংরক্ষক তানভীর আহমেদ ইমন বলেন, অবৈধ বালু উত্তোলন ও পরিবহনের দায়ে মামলার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়া আটককৃত ছয়টি মহেন্দ্র ট্রাক জব্দ করা হয়েছে। বালু উত্তোলনের সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করার জন্য খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত ৩ জুন রাতে বালু দস্যুেদর অবৈধ ট্রাক আটক এর ঘটনায় রাংটিয়া রেঞ্জের গজনী বিট কর্মকর্তা সালেহীন নেওয়াজ খান ও বন রক্ষী জিয়াউল এর উপর হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করেন। পরে ওই ঘটনায় সাত জনকে নামীয় এবং অজ্ঞাত আরো বেশ কয়েকজনকে আসামি করে ঝিনাইগাতী থানায় মামলা দায়ের করা হলে তিনজনকে গ্রেফতার করলেও ঘটনার সাথে জড়িত প্রধান আসামি রোমান ও ফরহাদকে এখন পর্যন্ত গ্রেফতার করা যায়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন থেকে গারো পাহাড় এলাকার বিভিন্ন ছড়া বা ঝোড়ায় বালূ দস্যুরা অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে পাহাড় এবং বনের জীববৈচিত্র ধ্বংসে লিপ্ত রয়েছে। এরওই ধারাবাহিকতায় বন বিভাগ দীর্ঘদিন থেকেই অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এদের দ্রুত আইনের আওতায় না আনা হলে গারো পাহাড়ের পরিবেশ ও প্রকৃতি ধ্বংসের মুখে পড়বে বলে স্থানীয় সচেতন মহল ও পরিবেশবাদীরা আশঙ্কা করেছে।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
শেরপুর গারো পাহাড় এলাকার ঝিনাইগাতী উপজেলার গজনীতে অবৈধ বালু উত্তোলন করে পরিবহন কালে ৬টি মহেন্দ্র ট্রাক আটক করেছে বন বিভাগ।
বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২২ জুন) ভোর রাত ৪ টায় ঝিনাইগাতী উপজেলা রাংটিয়া রেঞ্জ ও গজনী বিটের কর্মকর্তারা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গজনী বিট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় তারা দেখতে পায় বাঁকাকুরা গ্রামের মালিটোলা নামক স্থানে বালু দস্যুরা রাতের আঁধারে পাহাড়ের ঝোড়া থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে ছয়টি মহেন্দ্র ট্রাকে লোড করছিলেন। পরে বালু দস্যুরা বন বিভাগের কর্মকর্তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। পরে বালু ভর্তি ছয়টি মহেন্দ্র ট্রাক জব্দ করে গজনী বিট অফিসে নিয়ে আসা হয়।
এই অভিযানে রাংটিয়া রেঞ্জ এর সহকারি বন সংরক্ষক তানভীর আহমেদ ইমন, ডেপুটি রেঞ্জার মোঃ করিম মিয়া, গজনী বিট কর্মকর্তা সালেহীন নেওয়াজ খান, বন রক্ষী জিয়াউল ইসলাম সহ বন বিভাগের অন্যান্য কর্মচারীবৃন্দ অংশ নেয়।
এ বিষয়ে রাংটিয়া রেঞ্জের সহকারি বন সংরক্ষক তানভীর আহমেদ ইমন বলেন, অবৈধ বালু উত্তোলন ও পরিবহনের দায়ে মামলার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়া আটককৃত ছয়টি মহেন্দ্র ট্রাক জব্দ করা হয়েছে। বালু উত্তোলনের সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করার জন্য খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত ৩ জুন রাতে বালু দস্যুেদর অবৈধ ট্রাক আটক এর ঘটনায় রাংটিয়া রেঞ্জের গজনী বিট কর্মকর্তা সালেহীন নেওয়াজ খান ও বন রক্ষী জিয়াউল এর উপর হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করেন। পরে ওই ঘটনায় সাত জনকে নামীয় এবং অজ্ঞাত আরো বেশ কয়েকজনকে আসামি করে ঝিনাইগাতী থানায় মামলা দায়ের করা হলে তিনজনকে গ্রেফতার করলেও ঘটনার সাথে জড়িত প্রধান আসামি রোমান ও ফরহাদকে এখন পর্যন্ত গ্রেফতার করা যায়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন থেকে গারো পাহাড় এলাকার বিভিন্ন ছড়া বা ঝোড়ায় বালূ দস্যুরা অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে পাহাড় এবং বনের জীববৈচিত্র ধ্বংসে লিপ্ত রয়েছে। এরওই ধারাবাহিকতায় বন বিভাগ দীর্ঘদিন থেকেই অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এদের দ্রুত আইনের আওতায় না আনা হলে গারো পাহাড়ের পরিবেশ ও প্রকৃতি ধ্বংসের মুখে পড়বে বলে স্থানীয় সচেতন মহল ও পরিবেশবাদীরা আশঙ্কা করেছে।

আপনার মতামত লিখুন