স্ত্রী আফরা ইভনাথ ইকরার আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় অভিনেতা জাহের আলভীর ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেছিল পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। আদালত দুই দিনের রিমান্ড দিয়েছেন। আজ বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে তার জামিন আবেদন নাকচ করা হয়।
আদালত সূত্র বলছে, এদিন কারাগার থেকে জাহের আলভীকে আদালতে হাজির করা হয়। শুনানিতে মামলার তদন্তের স্বার্থে তার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা, ডিবি পুলিশের মিরপুর জোনাল টিমের ইন্সপেক্টর আব্দুল মালেক। রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী হারুন অর রশিদ রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন।
অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
শুনানি চলাকালে জাহের আলভী বলেন, ‘আমরা দুজন ভালোবেসে বিয়ে করেছি। আত্মহত্যা করার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। জন্মদিন নিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে ছিলাম, এটা আমাদের ইন্ড্রাস্ট্রিতে নরমাল ব্যাপার। যেহেতু আমার সন্তান তার মাকে হারিয়েছে৷ এখন আমাকে তার দরকার। আর আমার মানসিক শান্তির জন্য ছেলেকে দরকার। আমিও ন্যায়বিচার চাই।’
এর আগে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীদের মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন আলভী। আদালত শুনানি শেষে দুপুর আড়াইটার দিকে আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসা থেকে ইকরার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সে সময় ইকরার স্বামী অভিনেতা জাহের আলভী ছিলেন নেপালে। স্ত্রীর মৃত্যু খবরা জানিয়ে অভিনেতা লিখেছিলেন ‘আজ দুপুরে মিরপুর ডিওএইচএস-এর বাসায় আমার স্ত্রী ইকরা আত্মহত্যা করেছে। আমি নেপালে শুটিংরত ছিলাম ।খবরটা শোনার পর থেকে কথা বলার মতো অবস্থায় নেই। আমি বুঝতে পারছি না আমাদের সন্তান আর আমার কথা না ভেবে সে কেন এভাবে চলে গেল।’
এ ঘটনায় ১ মার্চ আলভীকে প্রধান আসামি করে একটি মামলা করেন নিহত ইকরার বাবা। মেয়েকে প্ররোচিত করে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগ এনেছেন তিনি। মামলায় আলভীর মা এবং পরকীয়া প্রেমিকা তিথিকেও আসামি করা হয়।
২০১০ সালের ৯ নভেম্বর ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন অভিনেতা আলভী ও ইকরা। দীর্ঘ ১৪ বছর গোপন থাকার পর ২০২৪ সালে তাঁদের বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। তাঁদের সংসারে একটি পুত্রসন্তান রয়েছে।

বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
স্ত্রী আফরা ইভনাথ ইকরার আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় অভিনেতা জাহের আলভীর ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেছিল পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। আদালত দুই দিনের রিমান্ড দিয়েছেন। আজ বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে তার জামিন আবেদন নাকচ করা হয়।
আদালত সূত্র বলছে, এদিন কারাগার থেকে জাহের আলভীকে আদালতে হাজির করা হয়। শুনানিতে মামলার তদন্তের স্বার্থে তার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা, ডিবি পুলিশের মিরপুর জোনাল টিমের ইন্সপেক্টর আব্দুল মালেক। রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী হারুন অর রশিদ রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন।
অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
শুনানি চলাকালে জাহের আলভী বলেন, ‘আমরা দুজন ভালোবেসে বিয়ে করেছি। আত্মহত্যা করার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। জন্মদিন নিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে ছিলাম, এটা আমাদের ইন্ড্রাস্ট্রিতে নরমাল ব্যাপার। যেহেতু আমার সন্তান তার মাকে হারিয়েছে৷ এখন আমাকে তার দরকার। আর আমার মানসিক শান্তির জন্য ছেলেকে দরকার। আমিও ন্যায়বিচার চাই।’
এর আগে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীদের মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন আলভী। আদালত শুনানি শেষে দুপুর আড়াইটার দিকে আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসা থেকে ইকরার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সে সময় ইকরার স্বামী অভিনেতা জাহের আলভী ছিলেন নেপালে। স্ত্রীর মৃত্যু খবরা জানিয়ে অভিনেতা লিখেছিলেন ‘আজ দুপুরে মিরপুর ডিওএইচএস-এর বাসায় আমার স্ত্রী ইকরা আত্মহত্যা করেছে। আমি নেপালে শুটিংরত ছিলাম ।খবরটা শোনার পর থেকে কথা বলার মতো অবস্থায় নেই। আমি বুঝতে পারছি না আমাদের সন্তান আর আমার কথা না ভেবে সে কেন এভাবে চলে গেল।’
এ ঘটনায় ১ মার্চ আলভীকে প্রধান আসামি করে একটি মামলা করেন নিহত ইকরার বাবা। মেয়েকে প্ররোচিত করে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগ এনেছেন তিনি। মামলায় আলভীর মা এবং পরকীয়া প্রেমিকা তিথিকেও আসামি করা হয়।
২০১০ সালের ৯ নভেম্বর ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন অভিনেতা আলভী ও ইকরা। দীর্ঘ ১৪ বছর গোপন থাকার পর ২০২৪ সালে তাঁদের বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। তাঁদের সংসারে একটি পুত্রসন্তান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন