শেরপুর     শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
 ‍SherpurTimes24

পাগলা মসজিদে ৩ ঘণ্টায় মিলল ১০ কোটি টাকা, এখনো চলছে গণনা



পাগলা মসজিদে ৩ ঘণ্টায় মিলল ১০ কোটি টাকা, এখনো চলছে গণনা
ছবি: প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জ শহরের হারুয়া এলাকায় অবস্থিত ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের ১৩টি দানবাক্স খুলে প্রাথমিক তিন ঘণ্টার গণনায় প্রায় ১০ কোটি টাকা পাওয়া গেছে। তবে পুরো অর্থ গণনা শেষ না হওয়ায় চূড়ান্ত হিসাব জানতে আরও সময় লাগবে বলে জানিয়েছে মসজিদ পরিচালনা কমিটি।


শনিবার (২৭ জুন) সকাল ৭টার দিকে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। পরে সেগুলো থেকে সংগৃহীত অর্থ প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে মসজিদের দ্বিতীয় তলায় নেওয়া হয়। সেখানে সকাল ৯টা থেকে গণনা শুরু হয়। মাদ্রাসার প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থী ও শিক্ষক, ব্যাংক কর্মকর্তাসহ মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা এ কাজে অংশ নেন।

নগদ অর্থের পাশাপাশি দানবাক্সে স্বর্ণ ও রূপার অলংকার, বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রাও পাওয়া গেছে। এছাড়া পাগলা মসজিদে নিয়মিতভাবে গরু, ছাগল, ভেড়া, হাঁস, মুরগি, কবুতর, দুধ, ডিমসহ নানা ধরনের সামগ্রীও দান করেন ভক্তরা।

রূপালী ব্যাংক কিশোরগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আলী হারেছী বলেন, দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রায় ১০ কোটি টাকা গণনা করা হয়েছে। পুরো অর্থ গণনা শেষ হলে চূড়ান্ত পরিমাণ জানানো হবে।

পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন বলেন, মসজিদ ও ইসলামিক কমপ্লেক্সের পরিচালন ব্যয় মেটানোর পর অবশিষ্ট অর্থ ব্যাংকে সংরক্ষণ করা হয়। বর্তমানে সরাসরি দানের ১১৪ কোটি টাকা এবং অনলাইন দানের ২৪ লাখ ৭৬ হাজার ৮৮২ টাকা ব্যাংকে জমা রয়েছে। এছাড়া দান হিসেবে পাওয়া বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালংকার জেলা প্রশাসনের ট্রেজারিতে সংরক্ষিত আছে। ExecutiveBranch

এর আগে গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর ৩ মাস ২৭ দিন পর দানবাক্স খুলে রেকর্ড ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা পাওয়া যায়। সে সময়ও বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা এবং স্বর্ণ ও রূপার অলংকারও পাওয়া গিয়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন

 ‍SherpurTimes24

শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬


পাগলা মসজিদে ৩ ঘণ্টায় মিলল ১০ কোটি টাকা, এখনো চলছে গণনা

প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬

featured Image

কিশোরগঞ্জ শহরের হারুয়া এলাকায় অবস্থিত ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের ১৩টি দানবাক্স খুলে প্রাথমিক তিন ঘণ্টার গণনায় প্রায় ১০ কোটি টাকা পাওয়া গেছে। তবে পুরো অর্থ গণনা শেষ না হওয়ায় চূড়ান্ত হিসাব জানতে আরও সময় লাগবে বলে জানিয়েছে মসজিদ পরিচালনা কমিটি।


শনিবার (২৭ জুন) সকাল ৭টার দিকে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। পরে সেগুলো থেকে সংগৃহীত অর্থ প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে মসজিদের দ্বিতীয় তলায় নেওয়া হয়। সেখানে সকাল ৯টা থেকে গণনা শুরু হয়। মাদ্রাসার প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থী ও শিক্ষক, ব্যাংক কর্মকর্তাসহ মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা এ কাজে অংশ নেন।

নগদ অর্থের পাশাপাশি দানবাক্সে স্বর্ণ ও রূপার অলংকার, বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রাও পাওয়া গেছে। এছাড়া পাগলা মসজিদে নিয়মিতভাবে গরু, ছাগল, ভেড়া, হাঁস, মুরগি, কবুতর, দুধ, ডিমসহ নানা ধরনের সামগ্রীও দান করেন ভক্তরা।

রূপালী ব্যাংক কিশোরগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আলী হারেছী বলেন, দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রায় ১০ কোটি টাকা গণনা করা হয়েছে। পুরো অর্থ গণনা শেষ হলে চূড়ান্ত পরিমাণ জানানো হবে।

পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন বলেন, মসজিদ ও ইসলামিক কমপ্লেক্সের পরিচালন ব্যয় মেটানোর পর অবশিষ্ট অর্থ ব্যাংকে সংরক্ষণ করা হয়। বর্তমানে সরাসরি দানের ১১৪ কোটি টাকা এবং অনলাইন দানের ২৪ লাখ ৭৬ হাজার ৮৮২ টাকা ব্যাংকে জমা রয়েছে। এছাড়া দান হিসেবে পাওয়া বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালংকার জেলা প্রশাসনের ট্রেজারিতে সংরক্ষিত আছে। ExecutiveBranch

এর আগে গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর ৩ মাস ২৭ দিন পর দানবাক্স খুলে রেকর্ড ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা পাওয়া যায়। সে সময়ও বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা এবং স্বর্ণ ও রূপার অলংকারও পাওয়া গিয়েছিল।


 ‍SherpurTimes24


কপিরাইট © ২০২৬ ‍SherpurTimes24 । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত