শেরপুরে জনগণের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দিতে এবং নাগরিকদের বিভিন্ন সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধানে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সাপ্তাহিক গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১ জুলাই) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত এ গণশুনানিতে জেলা প্রশাসক মিজ্ ফরিদা ইয়াসমিন জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত সেবাপ্রার্থীদের অভিযোগ, সমস্যা ও আবেদন সরাসরি শুনেন।
গণশুনানিতে অংশগ্রহণকারীরা ভূমি-সংক্রান্ত জটিলতা, চিকিৎসা সহায়তা, কর্মে অক্ষমতা, বেকারত্ব, আর্থিক সংকটসহ নানা সমস্যার কথা জেলা প্রশাসকের কাছে তুলে ধরেন। জেলা প্রশাসক প্রতিটি আবেদন মনোযোগসহকারে শুনে প্রয়োজনীয় পরামর্শ, দিকনির্দেশনা এবং তাৎক্ষণিক সহায়তা প্রদান করেন।
গণশুনানিতে ৫৬ জন অসহায় ও দুস্থ ব্যক্তির মাঝে নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। এছাড়া চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী ২ জনকে প্রয়োজনীয় ওষুধ ক্রয়ের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়।
এ ছাড়া প্রায় ২০ জনকে তাঁদের সমস্যার ধরন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে জেলা পরিষদ, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রাজস্ব শাখা, সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়, বিভিন্ন ভূমি অফিস, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, সিভিল সার্জন কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও পরামর্শসহ প্রেরণ করা হয়।
জেলা প্রশাসনের এ গণশুনানি কর্মসূচি সাধারণ মানুষের অভিযোগ ও সমস্যা দ্রুত নিষ্পত্তির পাশাপাশি জনবান্ধব প্রশাসন গড়ে তোলার কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করছে।

রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬
শেরপুরে জনগণের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দিতে এবং নাগরিকদের বিভিন্ন সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধানে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সাপ্তাহিক গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১ জুলাই) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত এ গণশুনানিতে জেলা প্রশাসক মিজ্ ফরিদা ইয়াসমিন জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত সেবাপ্রার্থীদের অভিযোগ, সমস্যা ও আবেদন সরাসরি শুনেন।
গণশুনানিতে অংশগ্রহণকারীরা ভূমি-সংক্রান্ত জটিলতা, চিকিৎসা সহায়তা, কর্মে অক্ষমতা, বেকারত্ব, আর্থিক সংকটসহ নানা সমস্যার কথা জেলা প্রশাসকের কাছে তুলে ধরেন। জেলা প্রশাসক প্রতিটি আবেদন মনোযোগসহকারে শুনে প্রয়োজনীয় পরামর্শ, দিকনির্দেশনা এবং তাৎক্ষণিক সহায়তা প্রদান করেন।
গণশুনানিতে ৫৬ জন অসহায় ও দুস্থ ব্যক্তির মাঝে নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। এছাড়া চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী ২ জনকে প্রয়োজনীয় ওষুধ ক্রয়ের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়।
এ ছাড়া প্রায় ২০ জনকে তাঁদের সমস্যার ধরন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে জেলা পরিষদ, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রাজস্ব শাখা, সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়, বিভিন্ন ভূমি অফিস, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, সিভিল সার্জন কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও পরামর্শসহ প্রেরণ করা হয়।
জেলা প্রশাসনের এ গণশুনানি কর্মসূচি সাধারণ মানুষের অভিযোগ ও সমস্যা দ্রুত নিষ্পত্তির পাশাপাশি জনবান্ধব প্রশাসন গড়ে তোলার কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করছে।

আপনার মতামত লিখুন