শেরপুরে তুলা ফসলের আবাদ বৃদ্ধি এবং চাষীদের তুলা চাষে আগ্রহ সৃষ্টির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক তুলা চাষীদের মধ্যে ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা মূল্যের বীজ, সার, কীটনাশকসহ কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে শেরপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয় সম্মেলন কক্ষে এ প্রণোদনা বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সাইফুল ইসলাম কমল।
ময়মনসিংহ অঞ্চলের তুলা উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান তুলা উন্নয়ন কর্মকর্তা ড. খালেদা ইয়াছমীন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন তুলা উন্নয়ন কর্মকর্তা ইসরাইল হোসেন, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম এবং শেরপুর প্রেস ক্লাবের কার্যকরী সভাপতি রফিক মজিদ।
সাইফুল ইসলাম কমল প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশে গার্মেন্টস শিল্প অন্যতম শিল্প। এ শিল্প খাত থেকে আমরা প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে থাকি। গার্মেন্টস শিল্পের অন্যতম কাঁচামাল সূতা। আর এটি আমাদের বিদেশ থেকে আমদানী করতে হয়। তাই আমদানী নির্ভরতা কমাতে সূতা উৎপাদনের জন্য তুলার চাষ বাড়িয়ে এটিকে জনপ্রিয় ফসলে রূপান্তরিত করতে হবে। এটি ঠিকমতো চাষাবাদ করতে পারলে এ থেকে অন্য ফসলের চেয়ে বেশি লাভবানও হওয়া যায়। তাই তিনি সরকারের পক্ষ থেকে দেয়া প্রণোদনাকে সঠিক ব্যবহারের আহবান জানান তুলা চাষীদের প্রতি।
তুলা উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. ইসরাইল হোসেন জানান, জেলায় এক বিঘা করে জমির মালিক মোট ৩ শত চাষির মধ্যে প্রত্যেককে ৮ হাজার টাকা মূল্যের বীজ, সার, কীটনাশসহ বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬
শেরপুরে তুলা ফসলের আবাদ বৃদ্ধি এবং চাষীদের তুলা চাষে আগ্রহ সৃষ্টির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক তুলা চাষীদের মধ্যে ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা মূল্যের বীজ, সার, কীটনাশকসহ কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে শেরপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয় সম্মেলন কক্ষে এ প্রণোদনা বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সাইফুল ইসলাম কমল।
ময়মনসিংহ অঞ্চলের তুলা উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান তুলা উন্নয়ন কর্মকর্তা ড. খালেদা ইয়াছমীন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন তুলা উন্নয়ন কর্মকর্তা ইসরাইল হোসেন, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম এবং শেরপুর প্রেস ক্লাবের কার্যকরী সভাপতি রফিক মজিদ।
সাইফুল ইসলাম কমল প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশে গার্মেন্টস শিল্প অন্যতম শিল্প। এ শিল্প খাত থেকে আমরা প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে থাকি। গার্মেন্টস শিল্পের অন্যতম কাঁচামাল সূতা। আর এটি আমাদের বিদেশ থেকে আমদানী করতে হয়। তাই আমদানী নির্ভরতা কমাতে সূতা উৎপাদনের জন্য তুলার চাষ বাড়িয়ে এটিকে জনপ্রিয় ফসলে রূপান্তরিত করতে হবে। এটি ঠিকমতো চাষাবাদ করতে পারলে এ থেকে অন্য ফসলের চেয়ে বেশি লাভবানও হওয়া যায়। তাই তিনি সরকারের পক্ষ থেকে দেয়া প্রণোদনাকে সঠিক ব্যবহারের আহবান জানান তুলা চাষীদের প্রতি।
তুলা উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. ইসরাইল হোসেন জানান, জেলায় এক বিঘা করে জমির মালিক মোট ৩ শত চাষির মধ্যে প্রত্যেককে ৮ হাজার টাকা মূল্যের বীজ, সার, কীটনাশসহ বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন