ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গে পরপর দুই দিনে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে হাসপাতালে হামের উপসর্গে ৭০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) সকালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
ওই প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘন্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ২২ শিশু ভর্তি হয়েছে। এই সময়ে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৫ শিশু। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে ৮৬ শিশু।
গত মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে হামের উপসর্গ নিয়ে ৩ হাজার ৪৬১ শিশু, সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩ হাজার ৫ শিশু। এই সময় মোট মৃত্যু হয়েছে ৭০ শিশুর।
হাসপাতালের সহকারি পরিচালক প্রশাসন ডা. মাইন উদ্দিন বলেন, দুই দিনে এক ৫ মাস বয়সি ছেলে শিশু ও ৭ মাস বয়সি মেয়ে শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
তিনি বলেন, গত ২৪ ঘন্টায় ৫ মাস বয়সি শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। তার বাড়ি গাজিপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলায়। এর আগের ২৪ ঘন্টায় ৭ মাস বয়সি এক মেয়ে শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। তার বাড়ি জেলার সদর উপজেলায়।
তিনি বলেন, হামের প্রকোপ কমছে না। নিয়মিত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে শিশু ভর্তি হচ্ছে, আবার সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছে। হাসপাতালে এখনো কোন আইসিইউ স্থাপন হয়নি বলেও জানান তিনি।

সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গে পরপর দুই দিনে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে হাসপাতালে হামের উপসর্গে ৭০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) সকালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
ওই প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘন্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ২২ শিশু ভর্তি হয়েছে। এই সময়ে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৫ শিশু। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে ৮৬ শিশু।
গত মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে হামের উপসর্গ নিয়ে ৩ হাজার ৪৬১ শিশু, সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩ হাজার ৫ শিশু। এই সময় মোট মৃত্যু হয়েছে ৭০ শিশুর।
হাসপাতালের সহকারি পরিচালক প্রশাসন ডা. মাইন উদ্দিন বলেন, দুই দিনে এক ৫ মাস বয়সি ছেলে শিশু ও ৭ মাস বয়সি মেয়ে শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
তিনি বলেন, গত ২৪ ঘন্টায় ৫ মাস বয়সি শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। তার বাড়ি গাজিপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলায়। এর আগের ২৪ ঘন্টায় ৭ মাস বয়সি এক মেয়ে শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। তার বাড়ি জেলার সদর উপজেলায়।
তিনি বলেন, হামের প্রকোপ কমছে না। নিয়মিত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে শিশু ভর্তি হচ্ছে, আবার সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছে। হাসপাতালে এখনো কোন আইসিইউ স্থাপন হয়নি বলেও জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন