শেরপুর     বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬
 ‍SherpurTimes24

‘মক্কা প্যাক্ট’ নিয়ে অন্য কারও উদ্বেগের অবকাশ নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী



‘মক্কা প্যাক্ট’ নিয়ে অন্য কারও উদ্বেগের অবকাশ নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
সংগৃহিত ছবি

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সমন্বয়ে গঠিত ‘মক্কা প্যাক্ট’ নিয়ে অন্য কারও উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তার মতে, প্যাক্টটি ভবিষ্যতে বিস্তৃত হলে এটি মুসলিম সমাজের আত্মরক্ষার একটি ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করবে। এটি মুসলিম পরিবারের অভ্যন্তরীণ বিষয়।


বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

অধিবেশনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চান, গত ৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যকার ‘মক্কা প্যাক্ট’-এ বাংলাদেশ যুক্ত হলে কী সুবিধা পাবে এবং এ প্যাক্ট থেকে বাংলাদেশের প্রাপ্তি কী হতে পারে।

জবাবে ড. খলিলুর রহমান বলেন, ‘এই চুক্তিটি তিনটি দেশের মধ্যে হয়েছে এবং আমরা বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছি। তবে এতে যোগদানের বিষয়টি এখনো আসেনি, কারণ এটি চুক্তির সদস্য দেশগুলোর অভিপ্রায়ের ওপর নির্ভর করছে। তারা যদি বাংলাদেশকে এই প্যাক্টে নেওয়ার অভিপ্রায় প্রকাশ করেন, তবে আমরা নিশ্চয়ই সেটি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করব।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এখনো বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়টি আসেনি। তাই এখনই এ প্যাক্টের ভালো-মন্দ বা সম্ভাব্য লাভ-ক্ষতি নিয়ে আলোচনার সময় হয়নি। তবে বাংলাদেশ বিষয়টি বিবেচনায় রাখবে।

‘মক্কা প্যাক্ট’-এর তাৎপর্য তুলে ধরে ড. খলিলুর রহমান বলেন, ‘আমাদের মনে রাখতে হবে, এই প্যাক্ট যদি বিস্তৃত হয়, তবে এটি হবে মুসলিম সমাজের আত্মরক্ষার একটি ব্যবস্থা। এটি আমাদের মুসলিম পরিবারের অভ্যন্তরীণ বিষয়। সুতরাং, এটি নিয়ে অন্য কারও উদ্বেগের কোনো অবকাশ নেই।’

আপনার মতামত লিখুন

 ‍SherpurTimes24

বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬


‘মক্কা প্যাক্ট’ নিয়ে অন্য কারও উদ্বেগের অবকাশ নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ২৭ আগস্ট ২০২৬

featured Image

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সমন্বয়ে গঠিত ‘মক্কা প্যাক্ট’ নিয়ে অন্য কারও উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তার মতে, প্যাক্টটি ভবিষ্যতে বিস্তৃত হলে এটি মুসলিম সমাজের আত্মরক্ষার একটি ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করবে। এটি মুসলিম পরিবারের অভ্যন্তরীণ বিষয়।


বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

অধিবেশনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চান, গত ৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যকার ‘মক্কা প্যাক্ট’-এ বাংলাদেশ যুক্ত হলে কী সুবিধা পাবে এবং এ প্যাক্ট থেকে বাংলাদেশের প্রাপ্তি কী হতে পারে।

জবাবে ড. খলিলুর রহমান বলেন, ‘এই চুক্তিটি তিনটি দেশের মধ্যে হয়েছে এবং আমরা বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছি। তবে এতে যোগদানের বিষয়টি এখনো আসেনি, কারণ এটি চুক্তির সদস্য দেশগুলোর অভিপ্রায়ের ওপর নির্ভর করছে। তারা যদি বাংলাদেশকে এই প্যাক্টে নেওয়ার অভিপ্রায় প্রকাশ করেন, তবে আমরা নিশ্চয়ই সেটি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করব।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এখনো বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়টি আসেনি। তাই এখনই এ প্যাক্টের ভালো-মন্দ বা সম্ভাব্য লাভ-ক্ষতি নিয়ে আলোচনার সময় হয়নি। তবে বাংলাদেশ বিষয়টি বিবেচনায় রাখবে।

‘মক্কা প্যাক্ট’-এর তাৎপর্য তুলে ধরে ড. খলিলুর রহমান বলেন, ‘আমাদের মনে রাখতে হবে, এই প্যাক্ট যদি বিস্তৃত হয়, তবে এটি হবে মুসলিম সমাজের আত্মরক্ষার একটি ব্যবস্থা। এটি আমাদের মুসলিম পরিবারের অভ্যন্তরীণ বিষয়। সুতরাং, এটি নিয়ে অন্য কারও উদ্বেগের কোনো অবকাশ নেই।’


 ‍SherpurTimes24


কপিরাইট © ২০২৬ ‍SherpurTimes24 । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত