শেরপুরের নকলায় উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে বালিগঞ্জ বাজার ফুটবল টুর্নামেন্টের জমজমাট ফাইনাল। টানটান উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে বন্ধু মহল ১-০ গোলে সাথী ক্রীড়া সংঘকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বালিগঞ্জ বাজার সংলগ্ন মাঠে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচকে ঘিরে বৃষ্টি উপেক্ষা করে দুপুর থেকেই ছিল দর্শকদের উপচেপড়া ভিড়। ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে খেলতে থাকে। শেষ পর্যন্ত বন্ধু মহলের করা একমাত্র গোলই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে।
খেলা শেষে বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের খেলোয়াড়দের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ক্রীড়াপ্রেমী ও বিপুলসংখ্যক দর্শক উপস্থিত ছিলেন।
টুর্নামেন্ট আয়োজনে সৌজন্যে ছিলেন ৬ নং পাঠাকাটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুবাস মিয়া। তিনি জানান,“খেলাধুলা তরুণ সমাজকে মাদক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ ধরনের আয়োজন তরুণদের প্রতিভা বিকাশের পাশাপাশি এলাকায় খেলাধুলার পরিবেশ তৈরি করে। ভবিষ্যতেও স্থানীয় খেলাধুলার উন্নয়নে পাশে থাকার চেষ্টা করব।”
ফাইনাল ম্যাচ ঘিরে পুরো মাঠজুড়ে ছিল উৎসবের আমেজ। স্থানীয়দের মতে, নিয়মিত এমন ক্রীড়া আয়োজন হলে তরুণদের মধ্যে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ আরও বাড়বে।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শেরপুরের নকলায় উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে বালিগঞ্জ বাজার ফুটবল টুর্নামেন্টের জমজমাট ফাইনাল। টানটান উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে বন্ধু মহল ১-০ গোলে সাথী ক্রীড়া সংঘকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বালিগঞ্জ বাজার সংলগ্ন মাঠে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচকে ঘিরে বৃষ্টি উপেক্ষা করে দুপুর থেকেই ছিল দর্শকদের উপচেপড়া ভিড়। ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে খেলতে থাকে। শেষ পর্যন্ত বন্ধু মহলের করা একমাত্র গোলই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে।
খেলা শেষে বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের খেলোয়াড়দের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ক্রীড়াপ্রেমী ও বিপুলসংখ্যক দর্শক উপস্থিত ছিলেন।
টুর্নামেন্ট আয়োজনে সৌজন্যে ছিলেন ৬ নং পাঠাকাটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুবাস মিয়া। তিনি জানান,“খেলাধুলা তরুণ সমাজকে মাদক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ ধরনের আয়োজন তরুণদের প্রতিভা বিকাশের পাশাপাশি এলাকায় খেলাধুলার পরিবেশ তৈরি করে। ভবিষ্যতেও স্থানীয় খেলাধুলার উন্নয়নে পাশে থাকার চেষ্টা করব।”
ফাইনাল ম্যাচ ঘিরে পুরো মাঠজুড়ে ছিল উৎসবের আমেজ। স্থানীয়দের মতে, নিয়মিত এমন ক্রীড়া আয়োজন হলে তরুণদের মধ্যে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ আরও বাড়বে।

আপনার মতামত লিখুন