কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং বিরোধী অভিযানে আরও ৩৭৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ। চতুর্থ দফার এ অভিযানে আটকের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬৭২ জনে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টা থেকে দিবাগত মধ্যরাত পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) লুৎফর রহমান।
পুলিশ জানায়, জেলাজুড়ে কিশোর গ্যাং বিরোধী অভিযান চলমান রয়েছে। এর অংশ হিসেবে জেলার ১৮টি থানায় একযোগে অভিযান চালানো হচ্ছে। কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত রয়েছে এমন বিভিন্ন স্থান, আড্ডাস্থল ও অপরাধপ্রবণ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এতে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সরাসরি অংশ নেন। চতুর্থ দফার অভিযানে ৩৭৯ জনকে আটক করা হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান বলেন, অভিযানে আটক ৩৭৯ জনের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার তথ্য রয়েছে কি না, তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই শেষে অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, উঠতি বয়সি কিশোরদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়া ঠেকাতে নিয়মিত জেলা পুলিশের এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। কিশোর অপরাধ নিয়ন্ত্রণে জেলা পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এ অভিযান প্রতিনিয়ত চলবে।
এর আগে ৩ দফায় ১ হাজার ২৯৭ জনকে আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে যাদের অপরাধের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। বাকীদের মুচলেকা রেখে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং বিরোধী অভিযানে আরও ৩৭৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ। চতুর্থ দফার এ অভিযানে আটকের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬৭২ জনে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টা থেকে দিবাগত মধ্যরাত পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) লুৎফর রহমান।
পুলিশ জানায়, জেলাজুড়ে কিশোর গ্যাং বিরোধী অভিযান চলমান রয়েছে। এর অংশ হিসেবে জেলার ১৮টি থানায় একযোগে অভিযান চালানো হচ্ছে। কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত রয়েছে এমন বিভিন্ন স্থান, আড্ডাস্থল ও অপরাধপ্রবণ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এতে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সরাসরি অংশ নেন। চতুর্থ দফার অভিযানে ৩৭৯ জনকে আটক করা হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান বলেন, অভিযানে আটক ৩৭৯ জনের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার তথ্য রয়েছে কি না, তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই শেষে অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, উঠতি বয়সি কিশোরদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়া ঠেকাতে নিয়মিত জেলা পুলিশের এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। কিশোর অপরাধ নিয়ন্ত্রণে জেলা পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এ অভিযান প্রতিনিয়ত চলবে।
এর আগে ৩ দফায় ১ হাজার ২৯৭ জনকে আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে যাদের অপরাধের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। বাকীদের মুচলেকা রেখে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন