শেরপুর     শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
 ‍SherpurTimes24

ছেলে সাঁতার জানত, ঘটনা ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা চলছে: তাহসিফের বাবা



ছেলে সাঁতার জানত, ঘটনা ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা চলছে: তাহসিফের বাবা
সংগৃহিত ছবি

বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরি মৃত্যুর আগে কিছু লোকের ধাওয়া খেয়ে নদে ঝাঁপ দিয়েছিল বলে তার ‘বন্ধু’ ও ‘ছোট ভাই’ দাবি করেছে। ওই নদ থেকেই সাউরির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। কিন্তু সাউরির ‘ছোট ভাইয়ে’র এমন বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে তার বাবা বলেছেন, ‘আমার ছেলে সাঁতার জানত। তার সার্টিফিকেটও ছিল। মূলত ঘটনাকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা চলছে।’


শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে গণমাধ্যমকে এসব কথা বলেছেন রহস্যজনকভাবে মারা যাওয়া তাহসিফ সাউরি বাবা কেএম এনায়েতুল করিম।

তিনি বলেন, ‘আমার ছেলে সাঁতার জানত। ও তো পাইলট। ওদের সুইমিংয়ের কোর্স করা এবং তার ওপর সার্টিফিকেট আছে। সাঁতারের ওপর বড় ধরনের কোর্স করা আছে আমার ছেলের। তাহলে তাকে কেন ধাওয়া দেওয়া হবে? এগুলো বাজে কথা, প্রশ্নই আসে না।’

তাহসিফের বাবা মনে করছেন, ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা চলছে। বিষয়টি অন্যভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হচ্ছে। 

এর আগে, গত ২৭ অক্টোবর রাতে বাসা থেকে বের হন তাহসিফ সাউরি। পরে রাত দেড়টার দিকে মাকে মেসেজ পাঠান- ‘মা আসতেছি’। কিন্তু এরপর থেকে সাউরি নিখোঁজ ছিল। পরদিন তুরাগ নদ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ। এ ঘটনার পর থেকে গা ঢাকা দেন তার ‘ছোট ভাই’ দীপ। কারণ সেদিন তার ডাকেই তিনি বাসা থেকে বের হয়েছিরলেন। এরপর আর ফেরেননি সাউরি।

এদিকে, বৃহস্পতিবার রাতে দ্বীপকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয় পিবিআই ঢাকা মেট্রো উত্তর। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাতভর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়। পিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদে দ্বীপ দাবি করেছে, ঘটনার দিন তারা দুজন ঘটনাস্থলে কথা বলছিলেন। এ সময় কয়েকজন ব্যক্তি তাদের ধাওয়া করলে তাহসিফ তুরাগ নদে ঝাঁপ দেন। আর তিনি সেখান থেকে পালিয়ে যান।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে তুরাগ নদের পাশে থাকা একটি বস্তি থেকে একটি নম্বরপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেল উদ্ধার করে পিবিআই। তবে সেটি তার কিনা তা যাচাই চলছে।

আপনার মতামত লিখুন

 ‍SherpurTimes24

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬


ছেলে সাঁতার জানত, ঘটনা ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা চলছে: তাহসিফের বাবা

প্রকাশের তারিখ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরি মৃত্যুর আগে কিছু লোকের ধাওয়া খেয়ে নদে ঝাঁপ দিয়েছিল বলে তার ‘বন্ধু’ ও ‘ছোট ভাই’ দাবি করেছে। ওই নদ থেকেই সাউরির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। কিন্তু সাউরির ‘ছোট ভাইয়ে’র এমন বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে তার বাবা বলেছেন, ‘আমার ছেলে সাঁতার জানত। তার সার্টিফিকেটও ছিল। মূলত ঘটনাকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা চলছে।’


শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে গণমাধ্যমকে এসব কথা বলেছেন রহস্যজনকভাবে মারা যাওয়া তাহসিফ সাউরি বাবা কেএম এনায়েতুল করিম।

তিনি বলেন, ‘আমার ছেলে সাঁতার জানত। ও তো পাইলট। ওদের সুইমিংয়ের কোর্স করা এবং তার ওপর সার্টিফিকেট আছে। সাঁতারের ওপর বড় ধরনের কোর্স করা আছে আমার ছেলের। তাহলে তাকে কেন ধাওয়া দেওয়া হবে? এগুলো বাজে কথা, প্রশ্নই আসে না।’

তাহসিফের বাবা মনে করছেন, ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা চলছে। বিষয়টি অন্যভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হচ্ছে। 

এর আগে, গত ২৭ অক্টোবর রাতে বাসা থেকে বের হন তাহসিফ সাউরি। পরে রাত দেড়টার দিকে মাকে মেসেজ পাঠান- ‘মা আসতেছি’। কিন্তু এরপর থেকে সাউরি নিখোঁজ ছিল। পরদিন তুরাগ নদ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ। এ ঘটনার পর থেকে গা ঢাকা দেন তার ‘ছোট ভাই’ দীপ। কারণ সেদিন তার ডাকেই তিনি বাসা থেকে বের হয়েছিরলেন। এরপর আর ফেরেননি সাউরি।

এদিকে, বৃহস্পতিবার রাতে দ্বীপকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয় পিবিআই ঢাকা মেট্রো উত্তর। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাতভর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়। পিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদে দ্বীপ দাবি করেছে, ঘটনার দিন তারা দুজন ঘটনাস্থলে কথা বলছিলেন। এ সময় কয়েকজন ব্যক্তি তাদের ধাওয়া করলে তাহসিফ তুরাগ নদে ঝাঁপ দেন। আর তিনি সেখান থেকে পালিয়ে যান।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে তুরাগ নদের পাশে থাকা একটি বস্তি থেকে একটি নম্বরপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেল উদ্ধার করে পিবিআই। তবে সেটি তার কিনা তা যাচাই চলছে।


 ‍SherpurTimes24


কপিরাইট © ২০২৬ ‍SherpurTimes24 । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত