শেরপুর সদর উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় জিন্নাত আলী (৭০) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনার জেরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং অভিযুক্তদের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ করা হয়।
রোববার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার লছমনপুর ইউনিয়নের কুসুমহাটি বাজারসংলগ্ন কাজীরচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত জিন্নাত আলী ওই গ্রামের মৃত তনু শেখের ছেলে এবং বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) সাবেক গাড়িচালক ছিলেন।
স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে জিন্নাত আলীর সঙ্গে তার ভাতিজাদের আদালতে মামলা চলছিল। এর ধারাবাহিকতায় রোববার দুপুরে কথা-কাটাকাটির পর সন্ধ্যায় কাজীরচর এলাকায় তার ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তৌহিদুল ইসলাম জানান, হাসপাতালে আনার আগেই ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছিল।
এদিকে জিন্নাত আলীর মৃত্যুর খবর এলাকায় পৌঁছালে ক্ষুব্ধ লোকজন অভিযুক্তদের বাড়িঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। নিহতের পরিবার এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছে।
শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোকন চন্দ্র ঘোষ জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এক নারীকে আটক করা হয়েছে এবং এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ নভেম্বর ২০২৬
শেরপুর সদর উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় জিন্নাত আলী (৭০) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনার জেরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং অভিযুক্তদের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ করা হয়।
রোববার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার লছমনপুর ইউনিয়নের কুসুমহাটি বাজারসংলগ্ন কাজীরচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত জিন্নাত আলী ওই গ্রামের মৃত তনু শেখের ছেলে এবং বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) সাবেক গাড়িচালক ছিলেন।
স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে জিন্নাত আলীর সঙ্গে তার ভাতিজাদের আদালতে মামলা চলছিল। এর ধারাবাহিকতায় রোববার দুপুরে কথা-কাটাকাটির পর সন্ধ্যায় কাজীরচর এলাকায় তার ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তৌহিদুল ইসলাম জানান, হাসপাতালে আনার আগেই ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছিল।
এদিকে জিন্নাত আলীর মৃত্যুর খবর এলাকায় পৌঁছালে ক্ষুব্ধ লোকজন অভিযুক্তদের বাড়িঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। নিহতের পরিবার এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছে।
শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোকন চন্দ্র ঘোষ জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এক নারীকে আটক করা হয়েছে এবং এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন