শেরপুরের চরাঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে চলা গরু ডাকাতির ঘটনায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল স্থানীয় জনগণ। অবশেষে জনতার সহায়তায় আন্তঃজেলা গরু ডাকাত চক্রের ৩ সদস্যকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। ২২ এপ্রিল বুধবার বিকেলে সদর উপজেলার কামারেরচর ইউনিয়নের ৬ ও ৭ নম্বর চরে এই ঘটনা ঘটে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন নেত্রকোণা জেলার বারহাট্টা উপজেলার চিরাম গ্রামের মো. টিটু মিয়া (৫২), মো. নজরুল ইসলাম (৩৫) এবং মোসা. বরুণা আক্তার (৩৮)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি ড্রাম ট্রাকে করে চারটি গরুসহ ছয়জন ব্যক্তি জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার দশানি নদীর পাড় সংলগ্ন এলাকায় গিয়ে গরুগুলো বিক্রির চেষ্টা করেন। তাদের চলাফেরা সন্দেহজনক মনে হলে স্থানীয়রা জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করলে তারা সন্তোষজনক জবাব দিতে না পারায় সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়। একপর্যায়ে চক্রের ৩ সদস্য পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়দের তৎপরতায় ৩ জনকে আটক করা হয়। এ ঘটনার খবর দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পুলিশকে অবহিত করা হয়। পরে রাতে শেরপুর সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আটক ৩ জনকে গ্রেফতার করে এবং উদ্ধারকৃত গরুগুলো থানায় নিয়ে আসে। ওই ঘটনায় সদর থানার এসআই আক্তারুজ্জামান মিয়া বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বরুণা আক্তার এই চক্রের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। তিনি নিজের বাবার বাড়ি ও স্বামীর বাড়ি এলাকায় ঘুরে গৃহস্থদের গোয়ালের গরুর তথ্য সংগ্রহ করে ডাকাত চক্রকে সরবরাহ করতেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই বিভিন্ন এলাকায় গরু চুরির ঘটনা সংঘটিত হতো।
এ ব্যাপারে সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জানান, উদ্ধারকৃত গরুগুলো বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে রয়েছে এবং পুরো চক্রটিকে শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
শেরপুরের চরাঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে চলা গরু ডাকাতির ঘটনায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল স্থানীয় জনগণ। অবশেষে জনতার সহায়তায় আন্তঃজেলা গরু ডাকাত চক্রের ৩ সদস্যকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। ২২ এপ্রিল বুধবার বিকেলে সদর উপজেলার কামারেরচর ইউনিয়নের ৬ ও ৭ নম্বর চরে এই ঘটনা ঘটে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন নেত্রকোণা জেলার বারহাট্টা উপজেলার চিরাম গ্রামের মো. টিটু মিয়া (৫২), মো. নজরুল ইসলাম (৩৫) এবং মোসা. বরুণা আক্তার (৩৮)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি ড্রাম ট্রাকে করে চারটি গরুসহ ছয়জন ব্যক্তি জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার দশানি নদীর পাড় সংলগ্ন এলাকায় গিয়ে গরুগুলো বিক্রির চেষ্টা করেন। তাদের চলাফেরা সন্দেহজনক মনে হলে স্থানীয়রা জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করলে তারা সন্তোষজনক জবাব দিতে না পারায় সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়। একপর্যায়ে চক্রের ৩ সদস্য পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়দের তৎপরতায় ৩ জনকে আটক করা হয়। এ ঘটনার খবর দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পুলিশকে অবহিত করা হয়। পরে রাতে শেরপুর সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আটক ৩ জনকে গ্রেফতার করে এবং উদ্ধারকৃত গরুগুলো থানায় নিয়ে আসে। ওই ঘটনায় সদর থানার এসআই আক্তারুজ্জামান মিয়া বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বরুণা আক্তার এই চক্রের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। তিনি নিজের বাবার বাড়ি ও স্বামীর বাড়ি এলাকায় ঘুরে গৃহস্থদের গোয়ালের গরুর তথ্য সংগ্রহ করে ডাকাত চক্রকে সরবরাহ করতেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই বিভিন্ন এলাকায় গরু চুরির ঘটনা সংঘটিত হতো।
এ ব্যাপারে সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জানান, উদ্ধারকৃত গরুগুলো বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে রয়েছে এবং পুরো চক্রটিকে শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।

আপনার মতামত লিখুন