গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার ১৭ বছরের শাসনামল নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছেন ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ।
তিনি বলেন, ওই সময় রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন খাতে অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার কারণে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি নতুন প্রজন্মকে দেশের রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক বাস্তবতা সম্পর্কে সচেতন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
এমপি পার্থ দাবি করেন, গত দেড় দশকের শাসনামলে বিদ্যুৎ, জ্বালানি, ব্যাংকিংসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে, যার প্রভাব এখনো অর্থনীতিতে পড়ছে।
তিনি বলেন, কিছু ক্ষেত্রে পরিকল্পনাহীন সিদ্ধান্তের কারণে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো নতুন প্রজন্মের কাছে যথাযথভাবে পৌঁছানো হয়নি। শেয়ারবাজার সংকট, বিভিন্ন আন্দোলন-সংঘর্ষ এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার বিষয়গুলো তরুণরা পুরোপুরি অনুধাবন করতে পারছে না।
এমপি পার্থ বলেন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে অতীতে। বিচার বিভাগ, প্রশাসন এবং গণমাধ্যমের ওপর প্রভাব বিস্তার করা হয়েছিল।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক সংস্কৃতি পরিবর্তন এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করতে হলে নতুন প্রজন্মকে ইতিহাস ও বাস্তবতার সঠিক শিক্ষা দিতে হবে।
পার্থ আরও বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের জন্য রাষ্ট্রীয় কাঠামোর সংস্কার এবং স্বচ্ছ জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা জরুরি।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার ১৭ বছরের শাসনামল নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছেন ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ।
তিনি বলেন, ওই সময় রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন খাতে অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার কারণে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি নতুন প্রজন্মকে দেশের রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক বাস্তবতা সম্পর্কে সচেতন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
এমপি পার্থ দাবি করেন, গত দেড় দশকের শাসনামলে বিদ্যুৎ, জ্বালানি, ব্যাংকিংসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে, যার প্রভাব এখনো অর্থনীতিতে পড়ছে।
তিনি বলেন, কিছু ক্ষেত্রে পরিকল্পনাহীন সিদ্ধান্তের কারণে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো নতুন প্রজন্মের কাছে যথাযথভাবে পৌঁছানো হয়নি। শেয়ারবাজার সংকট, বিভিন্ন আন্দোলন-সংঘর্ষ এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার বিষয়গুলো তরুণরা পুরোপুরি অনুধাবন করতে পারছে না।
এমপি পার্থ বলেন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে অতীতে। বিচার বিভাগ, প্রশাসন এবং গণমাধ্যমের ওপর প্রভাব বিস্তার করা হয়েছিল।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক সংস্কৃতি পরিবর্তন এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করতে হলে নতুন প্রজন্মকে ইতিহাস ও বাস্তবতার সঠিক শিক্ষা দিতে হবে।
পার্থ আরও বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের জন্য রাষ্ট্রীয় কাঠামোর সংস্কার এবং স্বচ্ছ জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন