শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলায় মাদকবিরোধী ধারাবাহিক অভিযানে কয়েকদিনের ব্যবধানে তিনজন ইউপি সদস্য গ্রেফতার হয়েছেন। পৃথক এসব অভিযানে ইয়াবা উদ্ধার, সহযোগী আটক এবং মোটরসাইকেল জব্দের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাগুলোকে ঘিরে স্থানীয় প্রশাসন ও জনমনে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
গত ২০ এপ্রিল (সোমবার) রাতে শ্রীবরদী উপজেলার পৌর শহরের ব্র্যাক অফিস রোড এলাকা থেকে ২০ পিস ইয়াবাসহ ইউপি সদস্য রেজাউল করিম (৫২) ও তার স্ত্রী শিরিনা খাতুন (৩৫) কে গ্রেফতার করে থানা পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এরপর ২৮ এপ্রিল (মঙ্গলবার) রাতে ঝিনাইগাতী উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে শ্রীবরদী উপজেলার কুড়িকাহনীয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হেলাল উদ্দিনকে আটক করে থানা পুলিশ। অভিযানের সময় ঘটনাস্থল থেকে আরও তিনজনকে আটক করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয় এবং ঘটনাস্থল থেকে মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে।
সবশেষ ১৭ মে (রবিবার রাতে) জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে শ্রীবরদী উপজেলার খড়িয়া কাজিরচর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আলম মিয়া (৩৫) কে ৯০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়।
এসময় তার সহযোগী মো. সোহানুর ইসলাম (২৭) আটক হন এবং একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। ডিবির ওসি রেজাউল করিম গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এদিকে স্থানীয়রা জানান, একই উপজেলার ভেতরে একের পর এক জনপ্রতিনিধির মাদকসহ গ্রেফতার হওয়ার ঘটনায় তারা হতবাক। তাদের মতে, জনপ্রতিনিধিদের এমন ঘটনায় এলাকার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে এবং তরুণ সমাজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
স্থানীয়দের দাবি, মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত যেই হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
সচেতন নাগরিক নিশান জানান, আমরা ভোট দিয়ে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করি। তারা নির্বাচিত হওয়ার পর এমন জঘন্য কাজ করছে। এটা কোনো ভাবেই কাম্য নয়। তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া দরকার।
শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ভুঁইয়া বলেন, মাদকবিরোধী অভিযান নিয়মিতভাবে জোরদার করা হয়েছে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। গ্রেফতারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬
শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলায় মাদকবিরোধী ধারাবাহিক অভিযানে কয়েকদিনের ব্যবধানে তিনজন ইউপি সদস্য গ্রেফতার হয়েছেন। পৃথক এসব অভিযানে ইয়াবা উদ্ধার, সহযোগী আটক এবং মোটরসাইকেল জব্দের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাগুলোকে ঘিরে স্থানীয় প্রশাসন ও জনমনে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
গত ২০ এপ্রিল (সোমবার) রাতে শ্রীবরদী উপজেলার পৌর শহরের ব্র্যাক অফিস রোড এলাকা থেকে ২০ পিস ইয়াবাসহ ইউপি সদস্য রেজাউল করিম (৫২) ও তার স্ত্রী শিরিনা খাতুন (৩৫) কে গ্রেফতার করে থানা পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এরপর ২৮ এপ্রিল (মঙ্গলবার) রাতে ঝিনাইগাতী উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে শ্রীবরদী উপজেলার কুড়িকাহনীয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হেলাল উদ্দিনকে আটক করে থানা পুলিশ। অভিযানের সময় ঘটনাস্থল থেকে আরও তিনজনকে আটক করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয় এবং ঘটনাস্থল থেকে মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে।
সবশেষ ১৭ মে (রবিবার রাতে) জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে শ্রীবরদী উপজেলার খড়িয়া কাজিরচর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আলম মিয়া (৩৫) কে ৯০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়।
এসময় তার সহযোগী মো. সোহানুর ইসলাম (২৭) আটক হন এবং একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। ডিবির ওসি রেজাউল করিম গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এদিকে স্থানীয়রা জানান, একই উপজেলার ভেতরে একের পর এক জনপ্রতিনিধির মাদকসহ গ্রেফতার হওয়ার ঘটনায় তারা হতবাক। তাদের মতে, জনপ্রতিনিধিদের এমন ঘটনায় এলাকার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে এবং তরুণ সমাজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
স্থানীয়দের দাবি, মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত যেই হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
সচেতন নাগরিক নিশান জানান, আমরা ভোট দিয়ে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করি। তারা নির্বাচিত হওয়ার পর এমন জঘন্য কাজ করছে। এটা কোনো ভাবেই কাম্য নয়। তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া দরকার।
শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ভুঁইয়া বলেন, মাদকবিরোধী অভিযান নিয়মিতভাবে জোরদার করা হয়েছে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। গ্রেফতারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন