ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে গাছের সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় অজ্ঞাত এক যুবকের দ্বিখণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে উপজেলার মশাখালী ইউনিয়নের দরিচারবাড়িয়া গ্রামের শাহ ভিটা এলাকায় থেকে পুলিশ এই দ্বিখণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে এক যুবক শাহ ভিটার জঙ্গলের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় গাছের সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় মরদেহটি দেখতে পান। তিনি চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন জড়ো হন। মুহূর্তের মধ্যে ঘটনাস্থলে জনতার ভিড় জমে যায়। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, নিহত যুবকের বয়স আনুমানিক ২৫ থেকে ৩০ বছর। তার পরনে ছিল প্যান্ট এবং বাম হাতে একটি ঘড়ি ছিল। মরদেহের শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।
নিহতের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি। ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে এলাকাজুড়ে চলছে আলোচনা।
এ বিষয়ে জানতে পাগলা থানার ওসির সঙ্গে মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে গাছের সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় অজ্ঞাত এক যুবকের দ্বিখণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে উপজেলার মশাখালী ইউনিয়নের দরিচারবাড়িয়া গ্রামের শাহ ভিটা এলাকায় থেকে পুলিশ এই দ্বিখণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে এক যুবক শাহ ভিটার জঙ্গলের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় গাছের সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় মরদেহটি দেখতে পান। তিনি চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন জড়ো হন। মুহূর্তের মধ্যে ঘটনাস্থলে জনতার ভিড় জমে যায়। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, নিহত যুবকের বয়স আনুমানিক ২৫ থেকে ৩০ বছর। তার পরনে ছিল প্যান্ট এবং বাম হাতে একটি ঘড়ি ছিল। মরদেহের শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।
নিহতের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি। ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে এলাকাজুড়ে চলছে আলোচনা।
এ বিষয়ে জানতে পাগলা থানার ওসির সঙ্গে মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন