শেরপুর     রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬
 ‍SherpurTimes24

আলোর বাতি ‘শেরপুর সরকারি গণগ্রন্থাগার’



আলোর বাতি ‘শেরপুর সরকারি গণগ্রন্থাগার’
ছবি : প্রতিনিধি

মেধার বিকাশ এবং আলোকিত মানুষ গঠনে বই হচ্ছে আমাদের অন্যতম সহায়ক শক্তি। বই পড়লে যেমন জ্ঞান অর্জন হয়, তেমনি একটি জাতির মনন ও মেধার বিকাশ ঘটে। তাই মানুষ বই পড়ার প্রতি আগ্রহ জন্মে। মূল কথা ‘পড়িলে বই, আলোকিত হই, না পড়িলে বই অন্ধকারে রই’। কিন্তু সব ধরণের বই একসাথে পাওয়া যেমন কঠিন, ঠিক পড়ারমতো পরিবেশও পাওয়া বড্ড কঠিন। তবে, এ যুগেও শেরপুর জেলার ঐতিহ্যবাহী ‘খান বাহাদুর ফজলুর রহমান সরকারি গণগ্রন্থাগারটি আলো দিয়ে যাচ্ছে। গ্রন্থাগারটিতে এখনো ভিড় করে চাকুরী প্রত্যাশি নারী-পুরুষ, শিক্ষার্থী, কবি-সাহিত্যিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার পাঠক।

জানা গেছে, ১৯২৬ সালে তৎকালীন জমিদার আমলে শেরপুর শহরের টাউন হলের পাশেই একটি কক্ষে ‘রিডিং ক্লাব’ নামে বেসরকারিভাবে এই গ্রন্থাগারের যাত্রা শুরু হয়। এরপর ১৯৮৪ সালে জেলার তৎকালীন দানবীর মরহুম খান বাহাদুর ফজলুর রহমানের স্বজনরা এ গন্থাগারের নামে কিছু জমি দান করলে গ্রন্থাগারটি সেখানে স্থানান্তরিত করে নামকরণ করা হয় ‘খান বাহাদুর ফজলুর রহমান গণগ্রন্থাগার’। এরপর ১৯৯১ সালে গ্রন্থাগারটি সরকারিকরণ করা হলে পুনরায় এর নামকরণ করা হয়, ‘খান বাহাদুর ফজলুর রহমান জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগার’। পরবর্তীতে ওই জমির ওপর সরকারিভাবে তিনতলা ফাউন্ডেশন করে এক তলা বিশিষ্ট একটি ভবন নির্মাণ করা হয়। গ্রন্থাগারটিতে রিডিং রুম, বই ও পত্র-পত্রিকাসহ নানা সুযোগ এবং সেবা প্রদানের মাধ্যমে নতুন করে যাত্রা শুরু করা হয়।

গ্রন্থাগার সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতি ও শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিভিন্ন শ্রেণি পাঠক নিয়মিত পাড়াশোনা করছেন এ গ্রন্থাগারে। বর্তমানে এখানে প্রায় ৪২হাজার বই সংগৃহিত রয়েছে। এছাড়া এখানে একটি জব কর্নার রয়েছে। এখানে নিবন্ধিত সদস্য সংখ্যা রয়েছে ৫শতাধিকের বেশি। এছাড়া অনেক শ্রেণি পেশার মানুষ বিশেষ করে শিক্ষার্থী, চাকুরি প্রত্যাশি, অবসরপ্রাপ্ত এবং চলমান চাকুরিজীবী, সাংবাদিক, সাহিত্যিকরা আসেন এখানে।

সম্প্রতি গ্রন্থাগারে গিয়ে দেখা যায়, গ্রন্থাগারের ভেতরের কক্ষে বসে কয়েকজন পাঠক বই পড়ছেন, কেউ আবার লিখছেন। পাশেই সুন্দর করে তাকে তাকে সাজানো রয়েছে বিভিন্ন ধরণের বই। এরমধ্যে ধর্মীয়, সামাজিক, রাজনৈতিক, মুক্তিযুদ্ধ, আইন ও বিচার, ইতিহাস, দর্শন, বিজ্ঞান, কবিতা, সাহিত্যসহ শিশুতোষ বই। এছাড়া রয়েছে স্থানীয় লেখকের বই। ফ্রি ইনটারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহের কম্পিউটার কর্ণার, ১৩টি বাংলা ও দুটি ইংরেজি জাতীয় পত্রিকা, ১২টি বাংলা সাময়িকী ও তিনটি ইংরেজি সাময়িকী পড়ার সুযোগ। বেসরকারি গ্রন্থাগারের জরিপ ও নিবন্ধন প্রদান, তথ্য অনসন্ধান, রেফারেন্স, পরামর্শ, বিভিন্ন সাহিত্য ও বই পড়া প্রতিযোগীতা, সেমিনার, আলোচনাসভাসহ প্রায় ১৫ থেকে ২০ ধরণের সেবা প্রদান করা হয়। গ্রন্থাগারটিতে প্রতিদিন ভিড় করে চাকুরী প্রত্যাশি নারী-পুরুষ, শিক্ষার্থী, কবি-সাহিত্যিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার পাঠক।

গ্রন্থাগারের পাঠক রুপসী আক্তার বলেন, আমি কিছুদিন ধরে আমার দুই বান্ধবীকে নিয়ে এই গ্রন্থাগারে আসছি। প্রথমে আমিতো ভাবতাম এখানে মনে হয় তেমন মানুষ আসে না। কিন্তু আমি এসে দেখি, আমারমতো অনেকেই আসে এখানে। তারা বিভিন্ন বই পড়ে। কেউ পত্রিকা পড়ে। আমার ভালোই লাগে। নিরিবিলি পরিবেশে বিভিন্ন ধরণের বই পড়তে পারছি আমি। বিশেষ করে চাকুরির জন্য অনেক বই আছে এখানে।

পাশেই আরেক পাঠক রাব্বানী বলেন, আমি অনেকদিন ধরেই এখানে আসি। বিশেষ করে দুপুর দিকে সব কাজ সেরে এখানে আসা হয়। এখানে বই পড়ার পাশাপাশি ফ্রি ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারছি। এখানে বিভিন্ন ধরণের বই রয়েছে। এখানে যারা আছেন সবাই আন্তরিক। তারা আমাদের সহযোগিতা করেন। ভালোই লাগে আমার। সবার সাথে বসে পড়াশোনা করতে পারছি।

শেরপুর সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী জান্নাত বলেন, আমি সময় নষ্ট করি না। একটু সময় পেলেই এই গ্রন্থাগারে আসি এবং দেখে দেখে পছন্দের বইগুলো পড়ি। মনোযোগ দিয়ে এখানে বই পড়ার কারণে আমার জ্ঞান অর্জন হচ্ছে। শুধু যে আমি একা আসি তা নয়, সময় পেলে এখানে আমার অনেক বান্ধবীরাও আসে বই পড়ছে।

লাইব্রেরিয়ান সাজ্জাদুল করিম বলেন, আমাদের প্রতিনিয়ত নতুন নতুন বই আসছে, ফার্ণিচার বৃদ্ধি হচ্ছে। ই-বুক বা ইন্টারনেটের যুগেও এখানে দিন দিন পাঠক বাড়ছে। যার ফলে গণগ্রন্থাগারটি খুবই সমৃদ্ধ। তবে, কিছু সমস্যাও রয়েছে। এরমধ্যে আমাদের ভবণ সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন। পাশাপাশি লোকবলের সংকট রয়েছে। আমাদের যে অনুমোদিত জনবল আছে, সেখানে লোকবল নাই অনেক ক্ষেত্রে। তাই শূণ্যে পদ যেগুলো আছে, সেগুলোতে জনবল নিয়োগ করা দরকার। এছাড়া আমাদের বড় সমস্যা হয়েছে গ্রন্থাগারের প্রবেশ পথে সিএনজি স্টেশন। এরপাশে ট্রাফিক বক্স। আবার উত্তর দিকে বিলবোর্ড স্থাপন করে গ্রন্থাগারটি আড়াল করে রাখা হয়েছে। এগুলোর কারণে আমাদের গ্রন্থাগারটি একেবারে আড়ালে পড়ে গেছে। এসব সমস্যা সমাধানে আমি ইতোমধ্যে সবার নজরে এনেছি।

তিনি আরও বলেন, আমাদের এখানে বিভিন্ন ধরণের পাঠক রয়েছে। যাদের মধ্যে চাকুরীর প্রস্তুতি নেয়ার একটি অংশ রয়েছে। পাশাপাশি পত্রিকা পড়ার জন্য অনেকেই আসেন। আবার কিছু সদস্য আছেন যারা বই বাসায় নিয়ে যায়। মূলত বিভিন্ন ক্যাটাগরির পাঠক আসেন সেবা নিতে। আমাদের গ্রন্থাগারটিতে গড়ে প্রতিদিন ৬০/৭০জন পাঠক থাকেন।  

শেরপুর জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, বর্তমান সময়ে গ্রন্থাগারে প্রতিদিন যেভাবে পাঠক আসেন বই পড়তে নিঃসন্দেহে এটা ভালো দিক। এই গ্রন্থাগারে বিভিন্ন ধরণের পর্যাপ্ত বই রয়েছে। এছাড়া নতুন নতুন বই আসছে। গ্রন্থাগারের যে সমস্যাগুলো রয়েছে, সেসব বিষয়ে সমাধান করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

 ‍SherpurTimes24

রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬


আলোর বাতি ‘শেরপুর সরকারি গণগ্রন্থাগার’

প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬

featured Image

মেধার বিকাশ এবং আলোকিত মানুষ গঠনে বই হচ্ছে আমাদের অন্যতম সহায়ক শক্তি। বই পড়লে যেমন জ্ঞান অর্জন হয়, তেমনি একটি জাতির মনন ও মেধার বিকাশ ঘটে। তাই মানুষ বই পড়ার প্রতি আগ্রহ জন্মে। মূল কথা ‘পড়িলে বই, আলোকিত হই, না পড়িলে বই অন্ধকারে রই’। কিন্তু সব ধরণের বই একসাথে পাওয়া যেমন কঠিন, ঠিক পড়ারমতো পরিবেশও পাওয়া বড্ড কঠিন। তবে, এ যুগেও শেরপুর জেলার ঐতিহ্যবাহী ‘খান বাহাদুর ফজলুর রহমান সরকারি গণগ্রন্থাগারটি আলো দিয়ে যাচ্ছে। গ্রন্থাগারটিতে এখনো ভিড় করে চাকুরী প্রত্যাশি নারী-পুরুষ, শিক্ষার্থী, কবি-সাহিত্যিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার পাঠক।

জানা গেছে, ১৯২৬ সালে তৎকালীন জমিদার আমলে শেরপুর শহরের টাউন হলের পাশেই একটি কক্ষে ‘রিডিং ক্লাব’ নামে বেসরকারিভাবে এই গ্রন্থাগারের যাত্রা শুরু হয়। এরপর ১৯৮৪ সালে জেলার তৎকালীন দানবীর মরহুম খান বাহাদুর ফজলুর রহমানের স্বজনরা এ গন্থাগারের নামে কিছু জমি দান করলে গ্রন্থাগারটি সেখানে স্থানান্তরিত করে নামকরণ করা হয় ‘খান বাহাদুর ফজলুর রহমান গণগ্রন্থাগার’। এরপর ১৯৯১ সালে গ্রন্থাগারটি সরকারিকরণ করা হলে পুনরায় এর নামকরণ করা হয়, ‘খান বাহাদুর ফজলুর রহমান জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগার’। পরবর্তীতে ওই জমির ওপর সরকারিভাবে তিনতলা ফাউন্ডেশন করে এক তলা বিশিষ্ট একটি ভবন নির্মাণ করা হয়। গ্রন্থাগারটিতে রিডিং রুম, বই ও পত্র-পত্রিকাসহ নানা সুযোগ এবং সেবা প্রদানের মাধ্যমে নতুন করে যাত্রা শুরু করা হয়।

গ্রন্থাগার সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতি ও শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিভিন্ন শ্রেণি পাঠক নিয়মিত পাড়াশোনা করছেন এ গ্রন্থাগারে। বর্তমানে এখানে প্রায় ৪২হাজার বই সংগৃহিত রয়েছে। এছাড়া এখানে একটি জব কর্নার রয়েছে। এখানে নিবন্ধিত সদস্য সংখ্যা রয়েছে ৫শতাধিকের বেশি। এছাড়া অনেক শ্রেণি পেশার মানুষ বিশেষ করে শিক্ষার্থী, চাকুরি প্রত্যাশি, অবসরপ্রাপ্ত এবং চলমান চাকুরিজীবী, সাংবাদিক, সাহিত্যিকরা আসেন এখানে।

সম্প্রতি গ্রন্থাগারে গিয়ে দেখা যায়, গ্রন্থাগারের ভেতরের কক্ষে বসে কয়েকজন পাঠক বই পড়ছেন, কেউ আবার লিখছেন। পাশেই সুন্দর করে তাকে তাকে সাজানো রয়েছে বিভিন্ন ধরণের বই। এরমধ্যে ধর্মীয়, সামাজিক, রাজনৈতিক, মুক্তিযুদ্ধ, আইন ও বিচার, ইতিহাস, দর্শন, বিজ্ঞান, কবিতা, সাহিত্যসহ শিশুতোষ বই। এছাড়া রয়েছে স্থানীয় লেখকের বই। ফ্রি ইনটারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহের কম্পিউটার কর্ণার, ১৩টি বাংলা ও দুটি ইংরেজি জাতীয় পত্রিকা, ১২টি বাংলা সাময়িকী ও তিনটি ইংরেজি সাময়িকী পড়ার সুযোগ। বেসরকারি গ্রন্থাগারের জরিপ ও নিবন্ধন প্রদান, তথ্য অনসন্ধান, রেফারেন্স, পরামর্শ, বিভিন্ন সাহিত্য ও বই পড়া প্রতিযোগীতা, সেমিনার, আলোচনাসভাসহ প্রায় ১৫ থেকে ২০ ধরণের সেবা প্রদান করা হয়। গ্রন্থাগারটিতে প্রতিদিন ভিড় করে চাকুরী প্রত্যাশি নারী-পুরুষ, শিক্ষার্থী, কবি-সাহিত্যিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার পাঠক।

গ্রন্থাগারের পাঠক রুপসী আক্তার বলেন, আমি কিছুদিন ধরে আমার দুই বান্ধবীকে নিয়ে এই গ্রন্থাগারে আসছি। প্রথমে আমিতো ভাবতাম এখানে মনে হয় তেমন মানুষ আসে না। কিন্তু আমি এসে দেখি, আমারমতো অনেকেই আসে এখানে। তারা বিভিন্ন বই পড়ে। কেউ পত্রিকা পড়ে। আমার ভালোই লাগে। নিরিবিলি পরিবেশে বিভিন্ন ধরণের বই পড়তে পারছি আমি। বিশেষ করে চাকুরির জন্য অনেক বই আছে এখানে।

পাশেই আরেক পাঠক রাব্বানী বলেন, আমি অনেকদিন ধরেই এখানে আসি। বিশেষ করে দুপুর দিকে সব কাজ সেরে এখানে আসা হয়। এখানে বই পড়ার পাশাপাশি ফ্রি ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারছি। এখানে বিভিন্ন ধরণের বই রয়েছে। এখানে যারা আছেন সবাই আন্তরিক। তারা আমাদের সহযোগিতা করেন। ভালোই লাগে আমার। সবার সাথে বসে পড়াশোনা করতে পারছি।

শেরপুর সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী জান্নাত বলেন, আমি সময় নষ্ট করি না। একটু সময় পেলেই এই গ্রন্থাগারে আসি এবং দেখে দেখে পছন্দের বইগুলো পড়ি। মনোযোগ দিয়ে এখানে বই পড়ার কারণে আমার জ্ঞান অর্জন হচ্ছে। শুধু যে আমি একা আসি তা নয়, সময় পেলে এখানে আমার অনেক বান্ধবীরাও আসে বই পড়ছে।

লাইব্রেরিয়ান সাজ্জাদুল করিম বলেন, আমাদের প্রতিনিয়ত নতুন নতুন বই আসছে, ফার্ণিচার বৃদ্ধি হচ্ছে। ই-বুক বা ইন্টারনেটের যুগেও এখানে দিন দিন পাঠক বাড়ছে। যার ফলে গণগ্রন্থাগারটি খুবই সমৃদ্ধ। তবে, কিছু সমস্যাও রয়েছে। এরমধ্যে আমাদের ভবণ সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন। পাশাপাশি লোকবলের সংকট রয়েছে। আমাদের যে অনুমোদিত জনবল আছে, সেখানে লোকবল নাই অনেক ক্ষেত্রে। তাই শূণ্যে পদ যেগুলো আছে, সেগুলোতে জনবল নিয়োগ করা দরকার। এছাড়া আমাদের বড় সমস্যা হয়েছে গ্রন্থাগারের প্রবেশ পথে সিএনজি স্টেশন। এরপাশে ট্রাফিক বক্স। আবার উত্তর দিকে বিলবোর্ড স্থাপন করে গ্রন্থাগারটি আড়াল করে রাখা হয়েছে। এগুলোর কারণে আমাদের গ্রন্থাগারটি একেবারে আড়ালে পড়ে গেছে। এসব সমস্যা সমাধানে আমি ইতোমধ্যে সবার নজরে এনেছি।

তিনি আরও বলেন, আমাদের এখানে বিভিন্ন ধরণের পাঠক রয়েছে। যাদের মধ্যে চাকুরীর প্রস্তুতি নেয়ার একটি অংশ রয়েছে। পাশাপাশি পত্রিকা পড়ার জন্য অনেকেই আসেন। আবার কিছু সদস্য আছেন যারা বই বাসায় নিয়ে যায়। মূলত বিভিন্ন ক্যাটাগরির পাঠক আসেন সেবা নিতে। আমাদের গ্রন্থাগারটিতে গড়ে প্রতিদিন ৬০/৭০জন পাঠক থাকেন।  

শেরপুর জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, বর্তমান সময়ে গ্রন্থাগারে প্রতিদিন যেভাবে পাঠক আসেন বই পড়তে নিঃসন্দেহে এটা ভালো দিক। এই গ্রন্থাগারে বিভিন্ন ধরণের পর্যাপ্ত বই রয়েছে। এছাড়া নতুন নতুন বই আসছে। গ্রন্থাগারের যে সমস্যাগুলো রয়েছে, সেসব বিষয়ে সমাধান করা হবে।


 ‍SherpurTimes24


কপিরাইট © ২০২৬ ‍SherpurTimes24 । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত