শেরপুর     বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
 ‍SherpurTimes24

ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ, সবচেয়ে বেশি মোটরসাইকেলে



ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ, সবচেয়ে বেশি মোটরসাইকেলে
ছবি: প্রতিনিধি

ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঈদযাত্রার ১৩ দিনে (২১ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত) সারাদেশে ২৯২টি সড়ক দুর্ঘটনায় মোট নিহত হয়েছেন ২৮১ জন। আর আহত হয়েছেন ৮৩৭ জন। নিহতের মধ্যে নারী ৩৪ জন ও শিশু ৪৮ জন। ১৪১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১২৪ জন, যা মোট নিহতের ৪৪ দশমিক ১২ শতাংশ। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৪৮ দশমিক ২৮ শতাংশ। দুর্ঘটনায় ৩৭ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ১৩ দশমিক ১৬ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৩৩ জন, অর্থাৎ ১১ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

এ সময় ১৩টি নৌ-পথ দুর্ঘটনায় ৮ জন নিহত ও ১৫ আহত হয়েছেন। একইসঙ্গে ২৪টি কুরবানির গরু মারা গেছে। ২২টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ১৭ জন নিহত এবং ৯ জন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। সংস্থাটি ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি জাতীয় ও আঞ্চলিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল, ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যম এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করেছে এ প্রতিবেদন।

দুর্ঘটনায় যানবাহনভিত্তিক নিহতের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী ১২৪ জন, বাস যাত্রী ২১ জন, ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-পিকআপ-ট্রলি আরোহী ৩২ জন, প্রাইভেটকার-অ্যাম্বুলেন্স আরোহী ১১ জন, থ্রি-হুইলার যাত্রী (ইজিবাইক-সিএনজি-অটোরিকশা-অটোভ্যান) ৪৮ জন এবং স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের যাত্রী (নসিমন-ভটভটি-মাহিন্দ্র) ৮ জন নিহত হয়েছেন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ বলছে, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ৯৭টি জাতীয় মহাসড়কে, ১১২টি আঞ্চলিক সড়কে, ৪২টি গ্রামীণ সড়কে এবং ৩৭টি শহরের সড়কে এবং ৪টি অন্যান্য স্থানে সংঘটিত হয়েছে।

দুর্ঘটনাসমূহের ৭৩টি মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১২৭টি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে, ৩৮টি পথচারীকে চাপা বা ধাক্কা দেওয়া, ৪২টি যানবাহনের পেছনে আঘাত করা এবং ১২টি অন্যান্য কারণে ঘটেছে।

দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের মধ্যে ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-পিকআপ-ট্রলি-লরি-ডাম্প ট্রাক-ফায়ার ব্রিগেডের গাড়ি-গ্যাসবাহী লরি ২২ দশমিক ০৯ শতাংশ, বাস ১৫ দশমিক ৫৮ শতাংশ, মাইক্রোবাস-প্রাইভেটকার-অ্যাম্বুলেন্স-পাজেরো জিপ ৪ দশমিক ৩৩ শতাংশ, মোটরসাইকেল ৩০ দশমিক ৯৬ শতাংশ, থ্রি-হুইলার (ইজিবাইক-সিএনজি-অটোরিকশা-অটোভ্যান) ১৮ দশমিক ৩৪ শতাংশ, স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহন (নসিমন-ভটভটি-মাহিন্দ্র) ৩ দশমিক ৫৫ দশমিক, প্যাডেল রিকশা-বাইসাইকেল ২ দশমিক ৩৬ শতাংশ এবং অজ্ঞাত যানবাহন ২ দশমিক ৭৬ শতাংশ।

আপনার মতামত লিখুন

 ‍SherpurTimes24

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬


ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ, সবচেয়ে বেশি মোটরসাইকেলে

প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬

featured Image

ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঈদযাত্রার ১৩ দিনে (২১ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত) সারাদেশে ২৯২টি সড়ক দুর্ঘটনায় মোট নিহত হয়েছেন ২৮১ জন। আর আহত হয়েছেন ৮৩৭ জন। নিহতের মধ্যে নারী ৩৪ জন ও শিশু ৪৮ জন। ১৪১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১২৪ জন, যা মোট নিহতের ৪৪ দশমিক ১২ শতাংশ। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৪৮ দশমিক ২৮ শতাংশ। দুর্ঘটনায় ৩৭ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ১৩ দশমিক ১৬ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৩৩ জন, অর্থাৎ ১১ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

এ সময় ১৩টি নৌ-পথ দুর্ঘটনায় ৮ জন নিহত ও ১৫ আহত হয়েছেন। একইসঙ্গে ২৪টি কুরবানির গরু মারা গেছে। ২২টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ১৭ জন নিহত এবং ৯ জন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। সংস্থাটি ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি জাতীয় ও আঞ্চলিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল, ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যম এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করেছে এ প্রতিবেদন।

দুর্ঘটনায় যানবাহনভিত্তিক নিহতের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী ১২৪ জন, বাস যাত্রী ২১ জন, ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-পিকআপ-ট্রলি আরোহী ৩২ জন, প্রাইভেটকার-অ্যাম্বুলেন্স আরোহী ১১ জন, থ্রি-হুইলার যাত্রী (ইজিবাইক-সিএনজি-অটোরিকশা-অটোভ্যান) ৪৮ জন এবং স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের যাত্রী (নসিমন-ভটভটি-মাহিন্দ্র) ৮ জন নিহত হয়েছেন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ বলছে, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ৯৭টি জাতীয় মহাসড়কে, ১১২টি আঞ্চলিক সড়কে, ৪২টি গ্রামীণ সড়কে এবং ৩৭টি শহরের সড়কে এবং ৪টি অন্যান্য স্থানে সংঘটিত হয়েছে।

দুর্ঘটনাসমূহের ৭৩টি মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১২৭টি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে, ৩৮টি পথচারীকে চাপা বা ধাক্কা দেওয়া, ৪২টি যানবাহনের পেছনে আঘাত করা এবং ১২টি অন্যান্য কারণে ঘটেছে।

দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের মধ্যে ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-পিকআপ-ট্রলি-লরি-ডাম্প ট্রাক-ফায়ার ব্রিগেডের গাড়ি-গ্যাসবাহী লরি ২২ দশমিক ০৯ শতাংশ, বাস ১৫ দশমিক ৫৮ শতাংশ, মাইক্রোবাস-প্রাইভেটকার-অ্যাম্বুলেন্স-পাজেরো জিপ ৪ দশমিক ৩৩ শতাংশ, মোটরসাইকেল ৩০ দশমিক ৯৬ শতাংশ, থ্রি-হুইলার (ইজিবাইক-সিএনজি-অটোরিকশা-অটোভ্যান) ১৮ দশমিক ৩৪ শতাংশ, স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহন (নসিমন-ভটভটি-মাহিন্দ্র) ৩ দশমিক ৫৫ দশমিক, প্যাডেল রিকশা-বাইসাইকেল ২ দশমিক ৩৬ শতাংশ এবং অজ্ঞাত যানবাহন ২ দশমিক ৭৬ শতাংশ।


 ‍SherpurTimes24


কপিরাইট © ২০২৬ ‍SherpurTimes24 । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত