ময়মনসিংহ নগরীর কাচারিঘাটে ব্রহ্মপুত্র নদের বুকে বালুচরে রফিক চা স্টলের স্বত্বাধিকারী মো: রফিকুল ইসলাম রফিক। বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষদের অতি পরিচিত মূখ। প্রতিদিন নগরীর বিভিন্ন বয়সী বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ কাচারিঘাটে গমন করেন রফিক চা স্টলে তরুন রফিকের হাতের তৈরি পরিচিত চা পান করতে। জম্পেশ আড্ডাও চলে চা পানের সাথে। প্রতি দিনকার এক পরিচিত চিত্র রফিকের চা স্টলে।
তারুন্যদীপ্ত রফিক শুধু একজন চা বিক্রেতাই নন। শ্রমজীবী মানুষদের বলিষ্ঠ কন্ঠস্বরও। তিনি প্রতিনিয়তই ভাবেন শ্রমজীবী মানুষদের অধিকার নিয়ে। তার চা স্টলে চা পান করতে করতে আলাপচারিতায় এমন ভাবনার প্রকাশ মেলে। ময়মনসিংহের মূল নগরীর গা ঘেঁষে বয়ে চলা পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের অপরপারে ঋষিপাড়ায় রফিকের বসবাস। প্রতিদিন ব্রহ্মপুত্র নদের ওপার হতে নদ পার হয়ে নগরীর প্রান্তে এপারে এসে বালুচরে তার উন্মুক্ত চা স্টল চালু করেন, যা চলমান থাকে রাতঅবধি। ঋষিপাড়ায় বসবাসরত শ্রমজীবী মানুষদের দু:খকষ্টে গড়া জীবনচিত্র দেখে দেখে রফিক বেড়ে উঠেছেন। তাই তার ভাবনায় শ্রমজীবী মানুষদের জীবনদর্শন। এই জীবনদর্শনই রফিককে শ্রমজীবী মানুষদের কন্ঠস্বর হয়ে সম্মূখপানে ছুটে চলার শক্তি জোগায়।
জীবন জীবিকার তাগিদে চা বিক্রয়ের পাশাপাশি তিনি দক্ষ সংগঠক হিসেবে সাংগঠনিকভাবেও সরব থাকেন ময়মনসিংহ নগরীতে। তিনি ময়মনসিংহ নগরীর গণসাংস্কৃতিক সংগঠন সমাজ রূপান্তর সাংস্কৃতিক সংঘের সহ-প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গণসাংস্কৃতিক ধারায় তিনি সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে বলিষ্ঠকন্ঠে আওয়াজ তোলেন মানুষের জন্য সমাজের জন্য দেশের জন্য। প্রতিরোধ প্রতিবাদের তীব্র তীর ছুড়েন অপশক্তির বিরুদ্ধে সকলের বাসযোগ্য সমাজের প্রত্যাশায়। এছাড়া তিনি নাগরিক সংগঠন ময়মনসিংহ মঞ্চ ও প্রত্নতাত্ত্বিক সংগঠন পুরাকীর্তি সুরক্ষা কমিটি, ময়মনসিংহ অঞ্চলে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
ময়মনসিংহ নগরীর কাচারিঘাটে ব্রহ্মপুত্র নদের বুকে বালুচরে রফিক চা স্টলের স্বত্বাধিকারী মো: রফিকুল ইসলাম রফিক। বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষদের অতি পরিচিত মূখ। প্রতিদিন নগরীর বিভিন্ন বয়সী বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ কাচারিঘাটে গমন করেন রফিক চা স্টলে তরুন রফিকের হাতের তৈরি পরিচিত চা পান করতে। জম্পেশ আড্ডাও চলে চা পানের সাথে। প্রতি দিনকার এক পরিচিত চিত্র রফিকের চা স্টলে।
তারুন্যদীপ্ত রফিক শুধু একজন চা বিক্রেতাই নন। শ্রমজীবী মানুষদের বলিষ্ঠ কন্ঠস্বরও। তিনি প্রতিনিয়তই ভাবেন শ্রমজীবী মানুষদের অধিকার নিয়ে। তার চা স্টলে চা পান করতে করতে আলাপচারিতায় এমন ভাবনার প্রকাশ মেলে। ময়মনসিংহের মূল নগরীর গা ঘেঁষে বয়ে চলা পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের অপরপারে ঋষিপাড়ায় রফিকের বসবাস। প্রতিদিন ব্রহ্মপুত্র নদের ওপার হতে নদ পার হয়ে নগরীর প্রান্তে এপারে এসে বালুচরে তার উন্মুক্ত চা স্টল চালু করেন, যা চলমান থাকে রাতঅবধি। ঋষিপাড়ায় বসবাসরত শ্রমজীবী মানুষদের দু:খকষ্টে গড়া জীবনচিত্র দেখে দেখে রফিক বেড়ে উঠেছেন। তাই তার ভাবনায় শ্রমজীবী মানুষদের জীবনদর্শন। এই জীবনদর্শনই রফিককে শ্রমজীবী মানুষদের কন্ঠস্বর হয়ে সম্মূখপানে ছুটে চলার শক্তি জোগায়।
জীবন জীবিকার তাগিদে চা বিক্রয়ের পাশাপাশি তিনি দক্ষ সংগঠক হিসেবে সাংগঠনিকভাবেও সরব থাকেন ময়মনসিংহ নগরীতে। তিনি ময়মনসিংহ নগরীর গণসাংস্কৃতিক সংগঠন সমাজ রূপান্তর সাংস্কৃতিক সংঘের সহ-প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গণসাংস্কৃতিক ধারায় তিনি সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে বলিষ্ঠকন্ঠে আওয়াজ তোলেন মানুষের জন্য সমাজের জন্য দেশের জন্য। প্রতিরোধ প্রতিবাদের তীব্র তীর ছুড়েন অপশক্তির বিরুদ্ধে সকলের বাসযোগ্য সমাজের প্রত্যাশায়। এছাড়া তিনি নাগরিক সংগঠন ময়মনসিংহ মঞ্চ ও প্রত্নতাত্ত্বিক সংগঠন পুরাকীর্তি সুরক্ষা কমিটি, ময়মনসিংহ অঞ্চলে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন।

আপনার মতামত লিখুন