শেরপুর     শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
 ‍SherpurTimes24

জামালপুরে স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার দায়ের স্বামীর মৃত্যুদণ্ড ও ধর্ষণের দায়ে একজনের যাবজ্জীবন



জামালপুরে স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার দায়ের স্বামীর মৃত্যুদণ্ড ও ধর্ষণের দায়ে একজনের যাবজ্জীবন
ছবি: প্রতিনিধি

জামালপুরে স্ত্রীকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে স্বামীকে মৃত্যুদ- ও এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদান করেছে আদালত। বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুানাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এসব রায় ঘোষণা করেন। রায়ে মৃত্যুদ-প্রাপ্ত আসামী আলাল সেক (৫৩) দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ রহিমপুর গ্রামের মো: মজর উদ্দিনের ছেলে। যাবজ্জীবন কারাদ-প্রাপ্ত আসামী রাজীব হোসেন (৩৮) একই উপজেলার বাঘারচর গ্রামের জসিজল হকের ছেলে।  


রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক বলেন, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ রহিমপুর গ্রামে গত ২০০৮ সালের ২৬ মে রাত হতে ২৭ মে সকালের মধ্যে কোন এক সময় আলাল সেক তার স্ত্রী নাইফুল বেগমকে যৌতুকের দাবীতে মারধর করে গুরুত্বর আহত করে ও পরে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা আব্দুল খালেক গত ২০০৮ সালের ৫ জুন আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলায় ৯ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আজ রায় ঘোষণা করেন বিচারক। আসামী আলাল সেক পলাতক থাকায় তার অনুপস্থিতিতেই রায় দেয়া হয়। রায়ে আলাল সেককে মৃত্যুদ- ও ৫ লাখ টাকা অর্থদ- প্রদান করা হয়। মামলায় আসামী পক্ষে কোন আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।  

এদিকে, দশম শ্রেণীতে পড়–য়া মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ মামলায় রাজীব হোসেন নামে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদ- ও ৫ লাখ টাকা অর্থদ- প্রদান করেছে একই আদালত। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক জানান, গত ২০১৫ সালের ৭ জুন গভীর রাতে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাঘারচর গ্রামে ঘরের জানালা খুলে এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর শয়নকক্ষে প্রবেশ করে প্রতিবেশী রাজীব হোসেন। এক পর্যায়ে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে সে। ধর্ষণের শিকার শিক্ষার্থীর ডাক চিৎকারে পরিবার ও স্বজনরা উপস্থিত হলে রাজীব হোসেন হাতেনাতে ধরা পরে। কিন্তু সে তাদের ধস্তাধস্তি করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় নির্যাতনের শিকার ওই শিক্ষার্থী গত ২০১৫ সালের ১১ জুন দেওয়ানগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় ৬ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আজ আসামী রাজীব হোসেনের উপস্থিতিতেই রায় ঘোষণা করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম। রায়ে তাকে যাবজ্জীবন কারাদ- ও ৫ লাখ টাকা অর্থদ- প্রদান করা হয়। এই মামলায় আসামী পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান লিটন।  

আপনার মতামত লিখুন

 ‍SherpurTimes24

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬


জামালপুরে স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার দায়ের স্বামীর মৃত্যুদণ্ড ও ধর্ষণের দায়ে একজনের যাবজ্জীবন

প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬

featured Image

জামালপুরে স্ত্রীকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে স্বামীকে মৃত্যুদ- ও এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদান করেছে আদালত। বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুানাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এসব রায় ঘোষণা করেন। রায়ে মৃত্যুদ-প্রাপ্ত আসামী আলাল সেক (৫৩) দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ রহিমপুর গ্রামের মো: মজর উদ্দিনের ছেলে। যাবজ্জীবন কারাদ-প্রাপ্ত আসামী রাজীব হোসেন (৩৮) একই উপজেলার বাঘারচর গ্রামের জসিজল হকের ছেলে।  


রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক বলেন, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ রহিমপুর গ্রামে গত ২০০৮ সালের ২৬ মে রাত হতে ২৭ মে সকালের মধ্যে কোন এক সময় আলাল সেক তার স্ত্রী নাইফুল বেগমকে যৌতুকের দাবীতে মারধর করে গুরুত্বর আহত করে ও পরে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা আব্দুল খালেক গত ২০০৮ সালের ৫ জুন আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলায় ৯ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আজ রায় ঘোষণা করেন বিচারক। আসামী আলাল সেক পলাতক থাকায় তার অনুপস্থিতিতেই রায় দেয়া হয়। রায়ে আলাল সেককে মৃত্যুদ- ও ৫ লাখ টাকা অর্থদ- প্রদান করা হয়। মামলায় আসামী পক্ষে কোন আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।  

এদিকে, দশম শ্রেণীতে পড়–য়া মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ মামলায় রাজীব হোসেন নামে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদ- ও ৫ লাখ টাকা অর্থদ- প্রদান করেছে একই আদালত। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক জানান, গত ২০১৫ সালের ৭ জুন গভীর রাতে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাঘারচর গ্রামে ঘরের জানালা খুলে এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর শয়নকক্ষে প্রবেশ করে প্রতিবেশী রাজীব হোসেন। এক পর্যায়ে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে সে। ধর্ষণের শিকার শিক্ষার্থীর ডাক চিৎকারে পরিবার ও স্বজনরা উপস্থিত হলে রাজীব হোসেন হাতেনাতে ধরা পরে। কিন্তু সে তাদের ধস্তাধস্তি করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় নির্যাতনের শিকার ওই শিক্ষার্থী গত ২০১৫ সালের ১১ জুন দেওয়ানগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় ৬ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আজ আসামী রাজীব হোসেনের উপস্থিতিতেই রায় ঘোষণা করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম। রায়ে তাকে যাবজ্জীবন কারাদ- ও ৫ লাখ টাকা অর্থদ- প্রদান করা হয়। এই মামলায় আসামী পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান লিটন।  


 ‍SherpurTimes24


কপিরাইট © ২০২৬ ‍SherpurTimes24 । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত