শেরপুরে এক নাবালককে অপহরণ করে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির মামলার প্রধান আসামি নাজিম মিয়া (২০) কে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। আজ মঙ্গলবার (২৩ জুন) র্যাব-১৪-এর পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে সোমবার সন্ধ্যায় ঢাকার আশুলিয়া থেকে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১৪-এর সিপিসি-১ জামালপুর ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল র্যাব-৪-এর সহযোগিতায় আশুলিয়া থানার একটি এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে নাজিম মিয়াকে গ্রেপ্তার করে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, নাজিম মিয়া ভুক্তভোগী পরিবারের দূরসম্পর্কের আত্মীয়। গত ১ জুন বিকেলে তিনি শেরপুর সদর উপজেলার পশ্চিম দড়িপাড়া এলাকায় মো. বাননাছের বাড়িতে যান। পরে তার ১২ বছর বয়সী ছেলে নুর ইসলামকে আইসক্রিম কিনে দেওয়ার কথা বলে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যান। এরপর শিশুটি আর বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, পরদিন সকালে শিশুটির খোঁজ চাইতে গেলে নাজিম মিয়াসহ অন্য অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তাকে ছেড়ে দেওয়ার বিনিময়ে ১২ ঘণ্টার মধ্যে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। টাকা না দিলে শিশুসহ তার বাবাকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর বাবা আদালতে একটি পিটিশন মামলা করেন। পরে আদালতের নির্দেশে গত ১৭ জুন শেরপুর সদর থানায় দÐবিধির ৩৬১, ৩৬৩, ৩৮৫ ও ৩৪ ধারায় নিয়মিত মামলা হয়। মামলার পর থেকেই প্রধান আসামি আত্মগোপনে ছিলেন।
র্যাব জানায়, মামলার পর থেকেই আসামিকে গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারি চালানো হচ্ছিল। এর ধারাবাহিকতায় তার অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব আরও জানিয়েছে, অপহৃত নাবালককে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া নাজিম মিয়াকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শেরপুর সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
শেরপুরে এক নাবালককে অপহরণ করে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির মামলার প্রধান আসামি নাজিম মিয়া (২০) কে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। আজ মঙ্গলবার (২৩ জুন) র্যাব-১৪-এর পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে সোমবার সন্ধ্যায় ঢাকার আশুলিয়া থেকে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১৪-এর সিপিসি-১ জামালপুর ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল র্যাব-৪-এর সহযোগিতায় আশুলিয়া থানার একটি এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে নাজিম মিয়াকে গ্রেপ্তার করে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, নাজিম মিয়া ভুক্তভোগী পরিবারের দূরসম্পর্কের আত্মীয়। গত ১ জুন বিকেলে তিনি শেরপুর সদর উপজেলার পশ্চিম দড়িপাড়া এলাকায় মো. বাননাছের বাড়িতে যান। পরে তার ১২ বছর বয়সী ছেলে নুর ইসলামকে আইসক্রিম কিনে দেওয়ার কথা বলে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যান। এরপর শিশুটি আর বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, পরদিন সকালে শিশুটির খোঁজ চাইতে গেলে নাজিম মিয়াসহ অন্য অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তাকে ছেড়ে দেওয়ার বিনিময়ে ১২ ঘণ্টার মধ্যে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। টাকা না দিলে শিশুসহ তার বাবাকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর বাবা আদালতে একটি পিটিশন মামলা করেন। পরে আদালতের নির্দেশে গত ১৭ জুন শেরপুর সদর থানায় দÐবিধির ৩৬১, ৩৬৩, ৩৮৫ ও ৩৪ ধারায় নিয়মিত মামলা হয়। মামলার পর থেকেই প্রধান আসামি আত্মগোপনে ছিলেন।
র্যাব জানায়, মামলার পর থেকেই আসামিকে গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারি চালানো হচ্ছিল। এর ধারাবাহিকতায় তার অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব আরও জানিয়েছে, অপহৃত নাবালককে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া নাজিম মিয়াকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শেরপুর সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন