শেরপুর     রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
 ‍SherpurTimes24

খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ঢাকা ত্যাগ করেছেন স্পিকার



খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ঢাকা ত্যাগ করেছেন স্পিকার
ছবি: প্রতিনিধি

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় অংশ নিতে তেহরানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।


বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তিনি ইরানের উদ্দেশে রওনা হন।

জানা গেছে, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় অংশগ্রহণ শেষে আগামী ৪ জুলাই স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ দেশে ফিরে আসবেন।

উল্লেখ্য, আয়াতুল্লাহ খামেনি ১৯৩৯ সালের ১৯ এপ্রিল উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন। চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় তিনি নিহত করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। তিনি ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামী বিপ্লবের পর পরিবর্তিত শাসনব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। ১৯৮০ সালে অল্প সময়ের জন্য তিনি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

ইরান-ইরাক যুদ্ধের সূচনার পর আয়াতুল্লাহ খামেনি ইসলামী বিপ্লবী বাহিনীর তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। ১৯৮৯ সালে রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর ইরানের বিশেষজ্ঞ পরিষদ তাঁকে সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা নির্বাচন করে।

আপনার মতামত লিখুন

 ‍SherpurTimes24

রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬


খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ঢাকা ত্যাগ করেছেন স্পিকার

প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬

featured Image

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় অংশ নিতে তেহরানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।


বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তিনি ইরানের উদ্দেশে রওনা হন।

জানা গেছে, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় অংশগ্রহণ শেষে আগামী ৪ জুলাই স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ দেশে ফিরে আসবেন।

উল্লেখ্য, আয়াতুল্লাহ খামেনি ১৯৩৯ সালের ১৯ এপ্রিল উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন। চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় তিনি নিহত করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। তিনি ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামী বিপ্লবের পর পরিবর্তিত শাসনব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। ১৯৮০ সালে অল্প সময়ের জন্য তিনি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

ইরান-ইরাক যুদ্ধের সূচনার পর আয়াতুল্লাহ খামেনি ইসলামী বিপ্লবী বাহিনীর তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। ১৯৮৯ সালে রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর ইরানের বিশেষজ্ঞ পরিষদ তাঁকে সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা নির্বাচন করে।


 ‍SherpurTimes24


কপিরাইট © ২০২৬ ‍SherpurTimes24 । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত