শেরপুরে তিন মাস বয়সী শিশুকে শাশুড়ির কোলে রেখে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন এক শিক্ষার্থী। সোমবার শেরপুর সরকারি কলেজ পরীক্ষা কেন্দ্রে দেখা যায় এই ব্যতিক্রমী দৃশ্য।
পরীক্ষার্থী জুঁই শেরপুর মহিলা কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। পরীক্ষা চলাকালে তার তিন মাস বয়সী মেয়ে সাইদা ফাতিহাকে কোলে নিয়ে কেন্দ্রের বাইরে অপেক্ষা করছিলেন শাশুড়ি সুফিয়া বেগম।
সুফিয়া বেগম বলেন, “আমার ইচ্ছা, আমার ছেলের বউ পড়াশোনা শেষ করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হোক। মা শিক্ষিত হলে তার সন্তানরাও শিক্ষিত হবে। তাই সংসারের কাজের চেয়ে আমি ওর পড়াশোনাকেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছি।”
তিনি জানান, কামালপুর এলাকার বাসিন্দা তার ছেলে আব্দুর রহমানের সঙ্গে জুঁইয়ের বিয়ে হয় এসএসসি পরীক্ষার আগেই। বিয়ের পরও তিনি কখনো পুত্রবধূর পড়াশোনা বন্ধ হতে দেননি। বরং সংসারের চাপ কমিয়ে নিয়মিত লেখাপড়া চালিয়ে যেতে উৎসাহ দিয়েছেন।
পরীক্ষার্থী জুঁই বলেন, “আমার শাশুড়ি সবসময় আমাকে সাহস দিয়েছেন। আজও তিনি আমার শিশুকে দেখাশোনা করছেন বলেই আমি নিশ্চিন্তে পরীক্ষা দিতে পারছি। তার সহযোগিতা না থাকলে এতদূর আসা সম্ভব হতো না।”
পরিবারের এমন সহযোগিতা ও নারীর শিক্ষার প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির এই ঘটনা পরীক্ষাকেন্দ্রে উপস্থিত অনেকের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬
শেরপুরে তিন মাস বয়সী শিশুকে শাশুড়ির কোলে রেখে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন এক শিক্ষার্থী। সোমবার শেরপুর সরকারি কলেজ পরীক্ষা কেন্দ্রে দেখা যায় এই ব্যতিক্রমী দৃশ্য।
পরীক্ষার্থী জুঁই শেরপুর মহিলা কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। পরীক্ষা চলাকালে তার তিন মাস বয়সী মেয়ে সাইদা ফাতিহাকে কোলে নিয়ে কেন্দ্রের বাইরে অপেক্ষা করছিলেন শাশুড়ি সুফিয়া বেগম।
সুফিয়া বেগম বলেন, “আমার ইচ্ছা, আমার ছেলের বউ পড়াশোনা শেষ করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হোক। মা শিক্ষিত হলে তার সন্তানরাও শিক্ষিত হবে। তাই সংসারের কাজের চেয়ে আমি ওর পড়াশোনাকেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছি।”
তিনি জানান, কামালপুর এলাকার বাসিন্দা তার ছেলে আব্দুর রহমানের সঙ্গে জুঁইয়ের বিয়ে হয় এসএসসি পরীক্ষার আগেই। বিয়ের পরও তিনি কখনো পুত্রবধূর পড়াশোনা বন্ধ হতে দেননি। বরং সংসারের চাপ কমিয়ে নিয়মিত লেখাপড়া চালিয়ে যেতে উৎসাহ দিয়েছেন।
পরীক্ষার্থী জুঁই বলেন, “আমার শাশুড়ি সবসময় আমাকে সাহস দিয়েছেন। আজও তিনি আমার শিশুকে দেখাশোনা করছেন বলেই আমি নিশ্চিন্তে পরীক্ষা দিতে পারছি। তার সহযোগিতা না থাকলে এতদূর আসা সম্ভব হতো না।”
পরিবারের এমন সহযোগিতা ও নারীর শিক্ষার প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির এই ঘটনা পরীক্ষাকেন্দ্রে উপস্থিত অনেকের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন