চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে সরকার ঘোষিত জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ময়মনসিংহ বাইপাসস্থ জুলাই শহীদ স্মৃতি স্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
এ সময় ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ কামরুল হুদা, নির্বাহী কর্মকর্তা স্নিগ্ধা দাস, ময়মনসিংহ মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক অধ্যাপক শেখ আমজাদ আলী , মাহবুবুল আলম, শহীদ সাগরের পিতা আসাদুজ্জামান , শহীদ মাহিনের পিতা জামিল হোসেন সোহেলসহ জেলা পরিষদের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, "আজ আমরা গভীর শ্রদ্ধা ও বেদনার সঙ্গে জুলাই শহীদ দিবস পালন করছি। এই দিনে আমি জুলাইয়ের সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।
জুলাই শুধু বিজয়ের গল্প নয়, জুলাই হারানোর গল্প। জুলাই মৃত্যুর সামনে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে যাওয়ার গল্প। জুলাই শুধু বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণের বিবেক জাগ্রত করার গল্প নয়, জুলাই মুক্তির মন্দির সোপানতলে হাজার হাজার প্রাণের অশ্রুজলে লেখা বলিদানের রক্তে রাঙানো এক ইতিহাস।
যাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমাদের মাতৃভূমি ফ্যাসিবাদের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছে, তাঁদের সেই মহান ত্যাগ আমরা কিছুতেই ভুলে যেতে দিতে চাই না। আমরা ভুলতে পারি না, ভুলবও না।
জুলাই আমাদের শিখিয়েছে—রাষ্ট্রের প্রকৃত শক্তি জনগণ। জনগণের আকাঙ্ক্ষা, অধিকার ও মর্যাদাকে উপেক্ষা করে কোনো রাষ্ট্রব্যবস্থা দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পারে না। তাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে শুধু স্মরণ করলেই হবে না, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি স্তরে তার বাস্তব প্রতিফলন ঘটাতে হবে।
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় টেকসই উন্নয়ন, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়। জুলাইয়ের আত্মত্যাগ আমাদের সেই পথেই চলার অঙ্গীকার করিয়েছে।
সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পরিবর্তনের বার্তা নিয়ে একটি বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে গণতন্ত্র ও উন্নয়নের অভিযাত্রা শুরু করেছেন। তিনি বলেন জুলাই সনদ বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাষ্ট্রের মৌলিক পরিবর্তন আসবে এবং ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ, প্রশাসন ও রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে তার প্রতিফলন ঘটাতে হবে।'
এছাড়াও বিভাগীয় কমিশনার হুমায়ুন কবির, জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান, ডি আই জি আতাউল কিবরিয়া, এস পি কামরুল ইসলাম, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক রুকনুজ্জামান সরকার, ময়মনসিংহ নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন তালুকদারসহ বিভিন্ন দফতর,অধি দফতর এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জুলাই স্মৃতি স্তম্ভে পুষ্প স্তবক অর্পন করে জুলাই শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
পরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ডিসি অফিসের সভা কক্ষে জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমানের সভাপতিত্বে জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় । সভায় বিভাগীয় কমিশনার হুমায়ুন কবির , ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, অতিরিক্ত ডিআইজি রাশিদা খাতুন , ময়মনসিংহ মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুবুল আলম, শহীদ সাগরের পিতা আসাদুজ্জামান , শহীদ মাহিনের পিতা জামিল হোসেন সোহেল সহ জুলাই যোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধাগণ বক্তব্য রাখেন।

বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে সরকার ঘোষিত জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ময়মনসিংহ বাইপাসস্থ জুলাই শহীদ স্মৃতি স্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
এ সময় ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ কামরুল হুদা, নির্বাহী কর্মকর্তা স্নিগ্ধা দাস, ময়মনসিংহ মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক অধ্যাপক শেখ আমজাদ আলী , মাহবুবুল আলম, শহীদ সাগরের পিতা আসাদুজ্জামান , শহীদ মাহিনের পিতা জামিল হোসেন সোহেলসহ জেলা পরিষদের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, "আজ আমরা গভীর শ্রদ্ধা ও বেদনার সঙ্গে জুলাই শহীদ দিবস পালন করছি। এই দিনে আমি জুলাইয়ের সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।
জুলাই শুধু বিজয়ের গল্প নয়, জুলাই হারানোর গল্প। জুলাই মৃত্যুর সামনে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে যাওয়ার গল্প। জুলাই শুধু বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণের বিবেক জাগ্রত করার গল্প নয়, জুলাই মুক্তির মন্দির সোপানতলে হাজার হাজার প্রাণের অশ্রুজলে লেখা বলিদানের রক্তে রাঙানো এক ইতিহাস।
যাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমাদের মাতৃভূমি ফ্যাসিবাদের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছে, তাঁদের সেই মহান ত্যাগ আমরা কিছুতেই ভুলে যেতে দিতে চাই না। আমরা ভুলতে পারি না, ভুলবও না।
জুলাই আমাদের শিখিয়েছে—রাষ্ট্রের প্রকৃত শক্তি জনগণ। জনগণের আকাঙ্ক্ষা, অধিকার ও মর্যাদাকে উপেক্ষা করে কোনো রাষ্ট্রব্যবস্থা দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পারে না। তাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে শুধু স্মরণ করলেই হবে না, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি স্তরে তার বাস্তব প্রতিফলন ঘটাতে হবে।
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় টেকসই উন্নয়ন, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়। জুলাইয়ের আত্মত্যাগ আমাদের সেই পথেই চলার অঙ্গীকার করিয়েছে।
সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পরিবর্তনের বার্তা নিয়ে একটি বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে গণতন্ত্র ও উন্নয়নের অভিযাত্রা শুরু করেছেন। তিনি বলেন জুলাই সনদ বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাষ্ট্রের মৌলিক পরিবর্তন আসবে এবং ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ, প্রশাসন ও রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে তার প্রতিফলন ঘটাতে হবে।'
এছাড়াও বিভাগীয় কমিশনার হুমায়ুন কবির, জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান, ডি আই জি আতাউল কিবরিয়া, এস পি কামরুল ইসলাম, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক রুকনুজ্জামান সরকার, ময়মনসিংহ নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন তালুকদারসহ বিভিন্ন দফতর,অধি দফতর এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জুলাই স্মৃতি স্তম্ভে পুষ্প স্তবক অর্পন করে জুলাই শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
পরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ডিসি অফিসের সভা কক্ষে জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমানের সভাপতিত্বে জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় । সভায় বিভাগীয় কমিশনার হুমায়ুন কবির , ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, অতিরিক্ত ডিআইজি রাশিদা খাতুন , ময়মনসিংহ মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুবুল আলম, শহীদ সাগরের পিতা আসাদুজ্জামান , শহীদ মাহিনের পিতা জামিল হোসেন সোহেল সহ জুলাই যোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধাগণ বক্তব্য রাখেন।

আপনার মতামত লিখুন