জামালপুরে এক নারীকে ধর্ষণের দায়ে আসলাম হোসেন নামের একজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ৪ লক্ষ টাকা অর্থদন্ড দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জামালপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুল রহিম এ রায় ঘোষণা করে। দন্ডপ্রাপ্ত আসামি আসলাম হোসেন (৩৩) জামালপুরে বকশীগঞ্জ উপজেলার জানকিপুর সলই মন্ডলপাড়া এলাকার হায়দর আলীর ছেলে।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি অ্যাডভোকেট ফজরুল হক জানান, আসলাম হোসেন ভোক্তভোগী নারীকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিলো। পরে মেয়ে নিরাপক্তার কথা ভেবে তার বাবা-মা তাকে বিয়ে দিয়ে দেয়। ভোক্তভোগী নারী স্বামীর সংসার করাকালে আসামী ওই মেয়ের জামাইরের কাছে বিভিন্ন ধরনের কথাবার্তা বলে তার সংসারে অশান্তির সৃষ্টি করে। পরে ২০২৩ সালের ১০ জুলাই ভোক্তভোগী নারীর সাথে তার স্বামীর তালাক হয়ে যায়। তারপর থেকে ওই নারী বাবার বাসায় থাকতো। তারপর ওই বছরের ২০ জুলাই রাত ৩টার দিকে আসামি ভোক্তভোগী নারীর ঘরে ডুকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করে। পরে স্থানীয়রা আসলাম হোসেনকে আটক করে পুলিশে সপর্দ করে। তারপর ঘটনার দুই দিন পর ২২ জুলাই ভোক্তভোগী নারীর বাবা বাদী হয়ে বকশীগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করে। পরে আজ দুপুরে মামলার ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামির উপস্থিতিতে বিচারক আসমিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ৪ লক্ষ টাকা অর্থদন্ড দেয়। মামালার আসামী পক্ষের আইনজীবি ছিলেন অ্যাডভোকেট বাকী বিল্লাহ।

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জামালপুরে এক নারীকে ধর্ষণের দায়ে আসলাম হোসেন নামের একজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ৪ লক্ষ টাকা অর্থদন্ড দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জামালপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুল রহিম এ রায় ঘোষণা করে। দন্ডপ্রাপ্ত আসামি আসলাম হোসেন (৩৩) জামালপুরে বকশীগঞ্জ উপজেলার জানকিপুর সলই মন্ডলপাড়া এলাকার হায়দর আলীর ছেলে।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি অ্যাডভোকেট ফজরুল হক জানান, আসলাম হোসেন ভোক্তভোগী নারীকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিলো। পরে মেয়ে নিরাপক্তার কথা ভেবে তার বাবা-মা তাকে বিয়ে দিয়ে দেয়। ভোক্তভোগী নারী স্বামীর সংসার করাকালে আসামী ওই মেয়ের জামাইরের কাছে বিভিন্ন ধরনের কথাবার্তা বলে তার সংসারে অশান্তির সৃষ্টি করে। পরে ২০২৩ সালের ১০ জুলাই ভোক্তভোগী নারীর সাথে তার স্বামীর তালাক হয়ে যায়। তারপর থেকে ওই নারী বাবার বাসায় থাকতো। তারপর ওই বছরের ২০ জুলাই রাত ৩টার দিকে আসামি ভোক্তভোগী নারীর ঘরে ডুকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করে। পরে স্থানীয়রা আসলাম হোসেনকে আটক করে পুলিশে সপর্দ করে। তারপর ঘটনার দুই দিন পর ২২ জুলাই ভোক্তভোগী নারীর বাবা বাদী হয়ে বকশীগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করে। পরে আজ দুপুরে মামলার ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামির উপস্থিতিতে বিচারক আসমিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ৪ লক্ষ টাকা অর্থদন্ড দেয়। মামালার আসামী পক্ষের আইনজীবি ছিলেন অ্যাডভোকেট বাকী বিল্লাহ।

আপনার মতামত লিখুন